ইংল্যান্ডের ‘এক্স ফ্যাক্টর’কে নিয়ে ভারতকে সতর্ক করলেন গাভাস্কার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সাত ম্যাচের চারটিতে ম্যাচসেরা হয়েছেন উইল জ্যাকস। ডানহাতি স্পিনের সঙ্গে লোয়ার অর্ডারে আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়ে আসছেন ইংলিশ অলরাউন্ডার। চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ‘এক্স ফ্যাক্টর’ হয়ে ওঠা জ্যাকসকে নিয়ে তাই ভারতকে সতর্ক করলেন সুনীল গাভাস্কার। ভারতের সাবেক ক্রিকেটার মনে করেন, উইকেটে একটু টার্ন থাকলে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন জ্যাকস।

ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে এমনিতে টপ অর্ডারে ব্যাটিং করেন জ্যাকস। জাতীয় দলে অবশ্য সেই পরিচয় বদলে গেছে। টপ অর্ডার থেকে ডানহাতি ব্যাটার হয়ে গেছেন লোয়ার অর্ডার ব্যাটার। ফিনিশারের ভূমিকায় ব্যাটিংয়ে নেমে ইংল্যান্ডের জয়ে অবদানও রাখছেন। চলতি বিশ্বকাপে এখনো পর্যন্ত সাত ইনিংসে ৬৩.৬৬ গড় ও ১৭৬.৮৫ স্ট্রাইক রেটে ১৯১ রারন করেছেন। একটি হাফ সেঞ্চুরিও আছে তাঁর।

সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের যখন ১৮ বলে ৪৩ রান প্রয়োজন তখন ১৮ বলে অপরাজিত ৩৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়েও দারুণভাবে অবদান রাখছেন তিনি। ৬ ইনিংসে নিয়েছেন সাত উইকেট। হয়েছেন চারবার ম্যাচসেরা। ছুঁয়েছেন ২০১২ বিশ্বকাপে করা শেন ওয়াটসনের রেকর্ড। এমন একজনকে নিয়ে তাই ভারতকে সতীর্ক করেছেন গাভাস্কার।

ভারতের সাবেক ব্যাটার বলেন, ‘পিচে একটু টার্ন থাকলে জ্যাকস বিপজ্জনক হয়ে ওঠতে পারে। স্যামসন, সূর্যকুমার বা হার্দিক পান্ডিয়া তাকে কীভাবে সামলাবেন সেটাই এখন আসল কথা। সে দুর্দান্ত ছন্দে আছে। সাত নম্বরে তাঁর মতো একজন থাকা বড় সুবিধা—যেমন শিভাম দুবে ভারতের জন্য। সে হয়তো ভারতের বাঁ-হাতের ব্যাটারদের বিপক্ষে বেশি বল করতে পারবে না। সে ক্ষেত্রে তার বিপক্ষে ডানহাতি ব্যাটারদের ওপরই বাড়তি চাপ থাকবে।’

সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে হেরে চাপে পড়ে ভারত। যদিও দ্বিতীয় ম্যাচেই জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে জয়ে ফেরে তারা। সেমিফাইনালে যেতে হলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারাতেই হতো তাদের। এমন ম্যাচে সাঞ্জু স্যামসনের অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংসে দুইশর কাছে রান তাড়া করে স্বাগতিকরা। গাভাস্কার মনে করেন, ভারত ও ইংল্যান্ডের ম্যাচটিও প্রায় একই রকম হবে।

গাভাস্কার বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অঘোষিত কোয়ার্টার ফাইনালের মতোই এটি হবে একটি ‘ক্র্যাকার’ ম্যাচ। দুই দলই সমান শক্তিশালী—ব্যাটিং, বোলিং, মিডল অর্ডার, ফিনিশাররা সব আছে। বৈচিত্র্যও আছে এবং প্রচুর টি-টোয়েন্টি অভিজ্ঞতা আছে।’

আরো পড়ুন: