চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দল হিসেবে একেবারেই ভালো করতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। আয়ারল্যান্ড এবং ওমানের বিপক্ষে জিতলেও হারতে হয়েছে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ের সঙ্গে। দুই হারে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয় অজিদের। ২০০৯ সালের পর এবারই প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়েছেন ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শরা। বিশ্বকাপে ছন্দে ছিলেন না ম্যাক্সওয়েল নিজেও।
শ্রীলঙ্কা ও ভারতে হওয়া বিশ্বকাপে ৩ ইনিংসে ১১০.৭১ স্ট্রাইক রেটে করেছিলেন ৬২ রান। সর্বোচ্চ করেছিলেন ৩১ রান। জাতীয় দলের মতো গত বিগ ব্যাশেও রান করতে পারেনি ম্যাক্সওয়েল। জাতীয় দল ও বিগ ব্যাশ মিলে সবশেষ ১২ ইনিংসে ১৫.৫৫ রান করেছেন। এমন পারফরম্যান্সের পর অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি দলে ম্যাক্সওয়েলের জায়গা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ২০২৮ সালে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে অস্ট্রেলিয়া।
একই বছর হবে অলিম্পিকও। দুই টুর্নামেন্টের আগে দলে পরিবর্তন আনার পরামর্শ দিয়েছেন সাবেক ক্রিকেটাররা। অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপ জেতানো পন্টিং ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারকা অলরাউন্ডারকে দলে দেখেন না। ভবিষ্যত নিয়ে অবশ্য এখনই কিছু বলতে চান না ম্যাক্সওয়েল। তবে শরীর সায় দিলে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে আরও খেলতে চান তিনি।
এ প্রসঙ্গে ম্যাক্সওয়েল বলেন, ‘আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়াটা সম্ভবত আগামী ১২ মাসে কী হতে যাচ্ছে, সেটার ওপরই বেশি নির্ভর করছে। সামনে খুব বেশি টি–টোয়েন্টি খেলা নেই, তাই আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়ার প্রয়োজন বোধ করছি না । আপাতত দেখি আমার শরীর কেমন সাড়া দেয়, আমি কেমন এগোচ্ছি। ভবিষ্যতে খেলার সুযোগ এলে আশা করি আমি তখন পুরোপুরি ফিট ও প্রস্তুত থাকব।’
২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে খুব বেশি টি-টোয়েন্টি খেলা নেই অস্ট্রেলিয়ার। সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের আগষ্ট পর্যন্ত ১২ টি-টোয়েন্টি খেলবে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। সেই বিশ্বকাপ পর্যন্ত ফিট থাকবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ম্যাক্সওয়েল বলেন, আমি ফিট এবং প্রস্তুত আছি। তবে এখনই কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ঠিক করছি না।’