আর ফারহান রেকর্ডময় এক বিশ্বকাপ পাড় করেছেন। ৩৮৩ রান করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছেন তিনি। রয়েছে দুটি সেঞ্চুরি। যদিও পাকিস্তান সুপার এইট থেকে বিদায় নিয়েছে। এবার দুজনই আইসিসির টি-টোয়েন্টির ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে কাছাকাছি চলে এসেছেন। অভিষেক আগের মতোই শীর্ষ স্থানে রয়েছেন। তার নামের পাশে ৮৭৪ রেটিং পয়েন্ট।
অন্যদিকে ফারহান এক ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন দুই নম্বরে আর তাতেই অভিষেকের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন তিনি। ফারহানের নামের পাশে রয়েছে ৮৪৮ পয়েন্ট রয়েছে। অবশ্য বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে ভালো খেলে ব্যবধান বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ আছে অভিষেকের।
ফারহান দুই নম্বরে জায়গা করে নেয়ার পথে পেছনে ফেলেছেন ইংল্যান্ডের ফিল সল্টকে। ৮০৩ পয়েন্ট নিয়ে এই ইংলিশ ব্যাটার এখন তিনে। এদিকে লম্বা লাফ দিয়েছেন ভারতীয় ব্যাটার সাঞ্জু স্যামসন। তিনি ২৫ ধাপ এগিয়ে ৪০ নম্বরে উঠে এসেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সুপাড় এইটের ম্যাচে তিনি ৫০ বলে অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংস খেলেছেন।
এদিকে উন্নতি করেছেন জিম্বাবুয়ের ব্রায়ান বেনেটও। ছয় ধাপ এগিয়ে তিনি এখন টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে ১১ নম্বরে। ছয় ইনিংসে ওপেনিংয়ে নেমে করেছেন ২৯২ রান। গড় ১৪৬, স্ট্রাইকরেট ১৩৪.৫৬। চার ইনিংসে ছিলেন অপরাজিত। অলরাউন্ডারদের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা।
তার রেটিং পয়েন্ট ৩২৮। বিশ্বকাপে ২০৬ রান করেছেন ৫১.৫ গড় ও ১৬৪.৮০ স্ট্রাইকরেটে। বোলিংয়ে ৯ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৫ উইকেট। এক ধাপ এগিয়ে দুই নম্বরে উঠেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ২৮৪। এবারের বিশ্বকাপে ১৭২ রান করেছেন ২৮.৬৭ গড় ও ১৫৬.৩৬ স্ট্রাইকরেটে। রয়েছে দুটি ফিফটি। বল হাতে ৮.৬৮ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৬ উইকেট।
পান্ডিয়ার এগোনোয় তিন নম্বরে নেমে গেছেন সাইম আইয়ুব। তার রেটিং পয়েন্ট ২৭৫। বোলিংয়ে ৫ উইকেট পেলেও ব্যাট হাতে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি তিনি। বোলারদের তালিকায় শীর্ষে আছেন বরুণ চক্রবর্তী। ৭৭১ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তিনি এক নম্বরে। ৭.৬৬ ইকোনমিতে নিয়েছেন ১২ উইকেট। দ্বিতীয় স্থানে আছেন রশিদ খান। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৭৫৩।