এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সালমান আলী আঘার নেতৃত্বে পাকিস্তান দল ছিল নিষ্প্রভ, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও ইংল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হার পরিস্থিতিকে আরও বিব্রতকর করে তোলে। হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে ক্রিকেটারদের বড় অঙ্কের জরিমানা গুনতে হতে পারে, অধিনায়ককেও সরিয়ে দেওয়া হতে পারে দায়িত্ব থেকে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই জিও সুপার সূত্রের বরাতে এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালেই বর্তমান কোচ মাইক হেসনের বিরুদ্ধে রীতিমতো বিদ্রোহ করেন পাকিস্তানের কয়েকজন ক্রিকেটার। প্রতিবেদনে বলা হয়, টুর্নামেন্টের সময় একাধিক ক্রিকেটার ব্যক্তিগতভাবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোচের আচরণ নিয়ে অভিযোগ জানান।
হেসনের কঠোর অবস্থান ও পরামর্শ ছাড়াই সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতা ড্রেসিংরুমের পরিবেশকে অস্থির করে তোলে। এমনও অভিযোগ আছে, গুরুত্বপূর্ণ অনেক সিদ্ধান্ত অধিনায়কের সঙ্গে আলোচনা না করেই নেওয়া হয়েছে এবং দল পরিচালনার প্রায় সব ক্ষেত্রেই হেসন হস্তক্ষেপ করতেন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হেসনের আচরণ বর্তমানে পর্যালোচনার মধ্যে রয়েছে। সিনিয়র কর্মকর্তারা দলের সঙ্গে তার আচরণ খতিয়ে দেখছেন এবং কোচের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনায় বসার আগে বিশ্বকাপের পারফরম্যান্স রিপোর্ট পর্যালোচনা করবেন। নির্বাচক প্যানেল ও অধিনায়ক সালমান কেউই হেসনের কঠোর মনোভাব মোকাবেলা করতে পারেননি।
দলের বিষয়ে কোচ নাকি একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তবে হেসনকে অবিলম্বে বরখাস্ত করার সম্ভাবনা কম বলেই জানা গেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে দুই বছরের চুক্তিতে আছেন তিনি এবং এর আগেও বিভিন্ন টুর্নামেন্টে ব্যর্থতার দায়ে কোচ সরিয়ে দেয়ার নজির রয়েছে পাকিস্তানে। তবে এবার তারা সেই পথেই হাঁটবে কিনা তাই দেখার বিষয়।