২০২৩ সালে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে ভারতকে হারিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা জেতে অস্ট্রেলিয়া। ফাইনালে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে ভারতের কাছ থেকে ম্যাচ ছিনিয়ে নিয়েছিলেন হেড। এমন পারফরম্যান্সের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হেডকে আক্রমণ করেছিলেন ভারতীয় সমর্থকরা। জেসিকা জানান, প্রায় একই ধরনের হেনস্থার মুখে পড়েছেন তারা। যদিও তারা ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন জেসিকা।
অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘দ্য অ্যাডভার্টাইজার’ এর সঙ্গে আলাপকালে হেডের স্ত্রী বলেন, ‘মনে হচ্ছে (২০২৩) বিশ্বকাপের পর যে ধরনের হেনস্থার স্বীকার হয়েছিলা, সেটারই পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার মিডিয়ায় একটা বিস্ফোরণ ঘটে গেছে। আমরা ভালো আছি কিন্তু তারা আমার বন্ধুবান্ধব ও পরিবারকে আক্রমণ করছে।’
‘আমার মনে হয় বর্তমান সময়ে সব খেলাধুলার জগতেই মানসিক স্বাস্থ্য, দৃষ্টিভঙ্গি এবং আমাদের পারস্পরিক কথাবার্তার ধরণ নিয়ে কথা বলাটা খুব জরুরি। খেলায় আবেগ থাকবেই, কিন্তু এটা ভুলে গেলে চলবে না যে এই খেলার পেছনেও রক্তমাংসের মানুষ আর তাদের পরিবার আছে। আশা করি, এই ঘটনাটি আমাদের একে অপরের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হতে এবং একে অপরকে সমর্থন জোগাতে সাহায্য করবে।’
ঘটনার সূত্রপাত, বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং ইনিংসের সময়ের। ওই সময় কোহলিকে উদ্দেশ্য করে কিছু একটা বলেন হেড। ক্ষিপ্ত হয়ে কোহলি ওই সময় জবাব দেন, ‘ঠিক আছে, এসে কয়েকটা বল করো।’ সেই ঘটনার একটু পরই আউট হয়ে ফেরেন কোহলি। ভারতীয় ব্যাটার ব্যাটিং করার সময় বোলিংয়ে না আসলেও ইনিংসের ১৯তম ওভারে হেডের হাতে বল তুলে দেন প্যাট কামিন্স।
বোলিংয়ে এসেই বেঙ্গালুরুর অধিনায়ক রজত পাতিদারকে আউট করেন হেড। ম্যাচ পরবর্তী সময়ে কোহলিকে খোঁচা দিয়ে হেড বলেন, ‘আমি বোলিংয়ে আসার আগেই তো তুমি আউট হয়ে গেলে!’ সেই ঘটনার জেরে সবার সঙ্গে হাত মেলালেও হেডকে এড়িয়ে যান কোহলি। অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার অবশ্য হাত মেলাতে হাত এগিয়ে দিয়েছিলেন। তবে কোহলি সেটা উপেক্ষা করেছেন। এমন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই কোহলির সমালোচনা করছেন।