ম্যাচসেরা হয়ে কুলদীপ বললেন, প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি

আইপিএল
বিসিসিআই
বিসিসিআই
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ব্যাট হাতে ঝড় তোলা আজিঙ্কা রাহানেকে ফেরালেন কুলদীপ যাদব। বাঁহাতি স্পিনার পরবর্তীতে তুলে নেন ক্যামেরন গ্রিন ও রিংকু সিংয়ের উইকেট। ২৯ রান খরচায় তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরাও হয়েছেন কুলদীপ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতলেও পুরো মৌসুম নিয়ে আক্ষেপ করেছেন বাঁহাতি এই স্পিনার। কুলদীপ জানান, আইপিএলের চলতি মৌসুমে নিজের প্রত্যাশাই মেটাতে পারেননি তিনি।

আইপিএলের প্রতিটা আসরেই প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের গলার কাঁটা হয়ে ওঠেন কুলদীপ। তবে চলতি মৌসুমে ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেননি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে হারের পর অক্ষর প্যাটেল বলেছিলেন, ‘যখন আমরা বোলিং করছি তখন আমি আমার বোলিং পার্টনার কুলদীপকে মিস করেছি।’ কলকাতার বিপক্ষে ম্যাচের আগে ৫০.২৮ গড়ে মাত্র ৭ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।

কলকাতার বিপক্ষে শেষটা অবশ্য ভালো করেছেন কুলদীপ। তবে পুরো মৌসুমের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি নিজেই। ম্যাচসেরা হওয়ার পর বাঁহাতি এই স্পিনার বলেন, ‘সত্যি বলতে, ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি মৌসুমটা আমরা ভালো কাটেনি। আমার নিজের কাছ থেকে আমি আরও বেশি প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু আমি সেটা ডেলিভার করতে পারিনি।

পুরো আসর জুড়েই বল হাতে ছন্দে খুঁজে পাচ্ছিলেন না কুলদীপ। ছন্দ ফিরে পেতে দিল্লির আগের ম্যাচের পর নিজ শহরে ফিরে যান তিনি। সেখানে গিয়ে নিজের কোচের সঙ্গে কাজ করেন এবং একটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেন বাঁহাতি এই স্পিনার। কোচের পরামর্শে কলকাতার বিপক্ষে এমন সাফল্য পাওয়ায় খুশি তিনি।

কুলদীপ বলেন, ‘শেষ ম্যাচটার পর আমি এলাকায় গিয়েছিলাম এবং আমার কোচের সঙ্গে কাজ করেছি যে আমার আসলে কোথায় কাজ করতে হবে। ওইখানে গিয়ে আমি একটা ম্যাচও খেলেছি। অনেক ছোট ছোট জিনিস থাকে যা আপনি ভুলে যান, বিশেষ করে সাদা বলের ক্রিকেটে। ওইখানে যাওয়া এবং কয়েকটা জিনিস নিয়ে কাজ করা, ফিরে আসা এবং এভাবে বোলিং করাটা দারুণ ব্যাপার ছিল।’

‘আমি যখন আমার কোচের সঙ্গে কথা বলেছি উনি সরাসরি আমাকে বলেছেন, ‘ব্যাটারকে বিপদে ফেলতে তোমাকে বল আরও বেশি স্পিন করাতে হবে। আমি জানি ব্যাটার তোমার বিপক্ষে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলছে। কিন্তু তুমি যখন বল স্পিন করাবে তখন তোমার তাকে আউট করার সুযোগও থাকবে।’

আরো পড়ুন: