মনিষ পান্ডের মাঠের উপস্থিতি কোহলির মতোই: হরভাজন

আইপিএল
বিরাট কোহলি ও মনিশ পান্ডে, ফাইল ফটো
বিরাট কোহলি ও মনিশ পান্ডে, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বিরাট কোহলির সাথে একই খেলেছেন বয়সভিত্তিক পর্যায়ে। ভারতীয় ক্রিকেটে কোহলির মতই বড় নাম হবার কথা ছিল মনিষ পান্ডের। কিন্তু নানান কারণে জাতীয় দলেই থিতু হতে পারেননি মনিষ। তবে আইপিএলে নিয়মিতই খেলে যাচ্ছেন এই ব্যাটার। নিজের ক্যারিয়ার কোহলির মত অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে না পারলেও মাঠে মনিষের উপস্থিতি ও ব্যাটিং কোহলির কথাই মনে করিয়ে দেয় ভারতের কিংবদন্তি অফস্পিনার হরভজন সিংকে।

কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে ঘরের মাঠ ইডেন গার্ডেন্সে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলেন মনিষ পান্ডে। সেই ম্যাচে দুর্দান্ত এক ক্যাচে ফেরান রায়ান রিকেলটনকে। এরপর ব্যাট হাতে ৩৩ বলে ৪৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ছয়টি চারের মার। তার ইনিংসে ভর করে ১৪৮ রানের লক্ষ্য ৭ বল হাতে রেখেই চার উইকেটে জিতে যায় কলকাতা।

স্টার স্পোর্টসের ইউটিউব ভিডিওতে হরভজন বলেন, 'ওর মাঠের সম্পৃক্ততা একদম বিরাট কোহলির মতো, কারণ ওরা একই গ্রুপের ক্রিকেটার। আপনি এটাকে ব্যাচ বলুন কিংবা গ্যাং বলুন, একই ব্যাপার। ও একই ব্যাচের এবং ঠিক ততটাই ফিট। ওকে খেলতে দেখে খুব ভালো লেগেছে। দারুণ একটা ইনিংস খেলেছে। আবার মাঠে ওকে খেলতে দেখা ভালো লাগছে। মনিষ পান্ডে তো সেই সময় থেকেই খেলছে, যখন আমরা খেলতাম, হয়তো তারও আগে থেকে। তাই ওকে আবার ভালো খেলতে দেখা সত্যিই আনন্দের।'

দারুণ ইনিংসে ম্যাচসেরা পুরস্কারও জেতেন মনিষ। এই জয়ে প্লে-অফের দৌড়ে টিকে থাকল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ১৩ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে এখন তারা আছে ষষ্ঠ স্থানে।

আইপিএলে এখন পর্যন্ত ১৭৯ ম্যাচ খেলে ডানহাতি এই ব্যাটার করেছেন ৩ হাজার ৯৮৭ রান। তার গড় ২৯.৫৩ এবং স্ট্রাইক রেট ১২১.৬৬। ক্যারিয়ারে রয়েছে ২২টি অর্ধশতক ও একটি শতক। একই আলোচনায় হরভজন আরও বলেন, দলের নিয়মিত তিন নম্বর ব্যাটার অঙ্গক্রিশ রঘুবংশী আঙুলের চোটে খেলতে না পারায় দায়িত্বটা এসে পড়ে মনিষ পান্ডের ওপর, আর সেই দায়িত্ব দারুণভাবেই পালন করেছেন তিনি।

হরভজন বলেন, 'সে নিজের ওপর বিশ্বাস হারায়নি। সিনিয়র খেলোয়াড় হিসেবে দলে যোগ দিয়েও তাকে অনেক সময় বাইরে বসে থাকতে হয়েছে। কিন্তু পুরো দলকে সে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে যে এখনও অনেক পথ বাকি। মনিষ পান্ডে এতটাই ফিট একজন ক্রিকেটার যে ফিল্ডিংয়ে রান বাঁচাতে পারে, আবার ব্যাট হাতে রানও করতে পারে। খুব ভালো একটা ইনিংস ছিল এটা।

হরভজন যোগ করেন, 'আর তাদের সবচেয়ে ছন্দে থাকা ব্যাটার রঘুবংশী আজ আঙুলের চোটে খেলতে পারেনি। তাই দায়িত্বটা এই খেলোয়াড়ের ওপরই এসে পড়ে, কারণ সে অনেক সিনিয়র। আর সে কাজটা খুব ভালোভাবেই করেছে। এটা দেখে আমি খুব খুশি।'

আরো পড়ুন: