তার ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও ১৫টি ছক্কা। ২৫২.৩০ স্ট্রাইক রেটে খেলা এই ইনিংস এখন ছেলেদের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের তালিকায় হামজার ওপরে আছেন কেবল অস্ট্রেলিয়ার অ্যারন ফিঞ্চ।
২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৭২ রান করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই ওপেনার। হামজার ইনিংসটি ছাড়িয়ে গেছে ২০১৯ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আফগানিস্তানের হাজরতউল্লাহ জাজাইয়ের অপরাজিত ১৬২ রানের ইনিংসকেও। তার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২৮৮ রান তোলে রুয়ান্ডা।
যা ছেলেদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সপ্তম সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। পাওয়ার প্লে থেকে ডেথ ওভার, পুরো ইনিংসজুড়ে আইভরি কোস্টের বোলারদের ওপর রীতিমতো চড়াও হয়েছিলেন হামজা। আগের ম্যাচেও দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন তিনি। ক্যামেরুনের বিপক্ষে রুয়ান্ডার দারুণ জয়ে অবদান রেখেছিলেন অপরাজিত ৬০ রানের ইনিংস খেলে।
এদিকে রুয়ান্ডার বিপক্ষে বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৭ রানেই গুটিয়ে যায় আইভরি কোস্ট। এটি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের যৌথভাবে পঞ্চম সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। ২৭১ রানের এই জয় এখন পুরুষদের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তৃতীয় সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়।
টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস-
অ্যারন ফিঞ্চ (অস্ট্রেলিয়া) – ১৭২ বনাম জিম্বাবুয়ে, ২০১৮
হামজা খান (রুয়ান্ডা) – ১৬৪* বনাম আইভরি কোস্ট, ২০২৬
হাজরতউল্লাহ জাজাই (আফগানিস্তান) – ১৬২* বনাম আয়ারল্যান্ড, ২০১৯
মোহাম্মদ ইহসান (স্পেন) – ১৬০ বনাম ক্রোয়েশিয়া, ২০২৫
অ্যারন ফিঞ্চ (অস্ট্রেলিয়া) – ১৫৬ বনাম ইংল্যান্ড, ২০১৩