ফাইনালে অনফিল্ড আম্পায়ার উইলিয়ামস ও বৃন্দা
লর্ডসে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে অস্ট্রেলিয়া। সেই ম্যাচের জন্য ম্যাচ অফিসিয়ালসদের নাম প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
লর্ডসে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে অস্ট্রেলিয়া। সেই ম্যাচের জন্য ম্যাচ অফিসিয়ালসদের নাম প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা এবার বাস্তব রূপ পেতে যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া টি টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট বিগ ব্যাশের উদ্বোধনী ম্যাচ প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বাইরে আয়োজন করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১২ ডিসেম্বর চেন্নাইয়ের এম চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে পার্থ স্কর্চার্স ও মেলবোর্ন রেনেগেডস।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ান সাবেক অলরাউন্ডার ময়েজেস হেনরিকস। জন্মভূমি পর্তুগালের হয়ে খেলতে চলেছেন তিনি। আগামী আগস্টে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে পর্তুগালের জার্সিতে দেখা যাবে ৩৯ বছর বয়সী এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে।
২০২৮ সালে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর। এই বিশ্ব আসরকে সামনে রেখে বাংলাদেশ নিজেদের গুছিয়ে নিচ্ছে এখন থেকেই। বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স জানিয়েছেন, তারা সেই পরিকল্পনা মাথায় নিয়েই এগোচ্ছেন। বিশেষ করে একজন পেস বোলিং অলরাউন্ডারের খোঁজে আছেন তারা।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে কে কার চেয়ে বাজে শট খেলে আউট হবেন সেই লড়াইয়ে যেন নেমেছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। সবাই যেন উইকেট এলেন আর গেলেন। সবার আশা-যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন তাওহীদ হৃদয়। হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর ব্যাটারদের দায়িত্ব না নেওয়ার সমালোচনা করেছেন ফিল সিমন্স। বাংলাদেশের প্রধান কোচ জানান, হৃদয় ছাড়া বাকিদের কারও মাঝে দায়িত্ববোধ খুঁজে পাননি।
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানের হারের বদলা ওয়ানডেতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এবার আরও সামনে চোখ অজিদের। আগামী আগস্টে দুই টেস্ট খেলতে অস্ট্রেলিয়ায় যাবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজের দিকেই আপাতত নজর দিচ্ছে অজিরা।
নাথান এলিস-স্পেন্সার জনসনদের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে নুইয়ে পড়লেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। তাওহীদ হৃদয়ের হাফ সেঞ্চুরির পরও নিদারুণ ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১০৯ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। রান তাড়ায় স্বাগতিকদের একাই উড়িয়ে দিলেন মিচেল মার্শ। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের ২৮ বলে ৬০ রানের ইনিংসে ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে সফরকারীরা। ওয়ানডে সিরিজ হারলেও টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়া করলো অস্ট্রেলিয়া।
তৃতীয় ওয়ানডেতে মহাকাব্যিক ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়ার হোয়াইটওয়াশ এড়িয়েছিলেন কুপার কনোলি। সেই ম্যাচের পর টি-টোয়েন্টিতে প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়ে রেখেছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। যেমন কথা তেমনই কাজ করেছে অস্ট্রেলিয়া। এক ম্যাচ হাতে রেখেই টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে সফরকারীরা। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রতিশোধ নিতে পারায় তাই খুশি ম্যাট রেনশ।
অনেকটা হুট করেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের দৃশ্যপটে আবির্ভাব আবদুল গাফফার সাকলাইনের। এরপর বছর খানেকের মধ্যেই জাতীয় দলেও চলে এলেন। অভিষেক হলো 'মাইটি' অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। কিন্তু অভিষেকের পরই যেন বছরজুড়ে স্বপ্নের মত কাটতে থাকা সময়ের ঘোর কিছুটা কাটলো। পেস বোলিং অলরাউন্ডারের অভাব মেটানোর প্রবল চাপ নিয়ে শুরু করার পর সেই প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি। তবে, কঠিন সময়েও সতীর্থদের সমর্থন পাচ্ছেন সাকলাইন। পরের ম্যাচগুলোতেই সাকলাইন নিজের সামর্থ্যের ছাপ রাখতে পারবেন বলেই বিশ্বাস বাংলাদেশ দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমনের।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে খেলতে পারেননি লিটন দাস। চোট থেকে সেরে না ওঠায় সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচেও পাওয়া যাবে না বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ককে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) একটি সূত্র ক্রিকফ্রেঞ্জিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অল্পের জন্য দুইশ রান ছুঁতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। তারা ৬ উইকেটে থামে ১৯৬ রানে। অস্ট্রেলিয়ার এই রানের পেছনে বড় অবদান ম্যাট রেনশর। তিনি একাই ৫২ বলে ৮৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। যা তার ক্যারিয়ার সেরাও। ফলে তারা বাংলাদেশকে ১৯৭ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দেয়। এরপর শুরুতে তানজিদ হাসান তামিম ও শেষের দিকে তাওহীদ হৃদয়ের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে লড়াই জমিয়েও শেষ পর্যন্ত ৭ রানের ব্যবধানে হারতে হয় বাংলাদেশকে।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে অভিষেকের মধ্য দিয়ে নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন পূরণ করেছেন নিখিল চৌধুরী। ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই অলরাউন্ডার খেলতে নেমেই গড়েছেন ইতিহাস। কারণ প্রায় ছয় দশক পর তিনিই প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নেমেছেন। কিন্তু এর মাঝে পাড়ি দিতে হয়েছে বন্ধুর পথ। অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমানোর পর কঠিন জীবনসংগ্রামের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে তাকে। আর সেসব অভিজ্ঞতাই আজকের নিখিলকে গড়ে তুলেছে বলে বিশ্বাস এই ক্রিকেটারের।