ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত এই বিশ্বকাপে ভারত শুরু থেকেই আগ্রাসী পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে। বিশেষ করে ভারতীয় ব্যাটাররা পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই আলো ছড়িয়েছেন। এর প্রভাব পড়েছে আইসিসির ঘোষিত টিম অব দ্য টুর্নামেন্টেও। সেখানে ভারতের ৪ ক্রিকেটার জায়গা করে নিয়েছেন।
তারা হলেন সাঞ্জু স্যামসন, ইশান কিশান, হার্দিক পান্ডিয়া ও জসপ্রিত বুমরাহ। পাশাপাশি দুজন সাউথ আফ্রিকার ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন টুর্নামেন্ট সেরা দলে। অধিনায়ক এইডেন মার্করামের সঙ্গে আছেন লুঙ্গি এনগিডি। দুজন ইংলিশ ক্রিকেটারও রয়েছেন সেখানে।
স্পিনার আদিল রশিদের সঙ্গে জায়গা পেয়েছেন অলরাউন্ডার উইল জ্যাকসও। এর বাইরে পাকিস্তানের শাহিবজাদা ফারহান, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জেসন হোল্ডার, জিম্বাবুয়ের ব্লেসিং মুজারাবানি রয়েছেন টিম অব দ্য টুর্নামেন্টের দলে। দ্বাদশ ক্রিকেটার হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শ্যাডলি ভ্যান শ্যালউইক।
এই দল নির্বাচন করেছেন একটি বিশেষ প্যানেল। সেখানে ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক ক্রিকেটার ইয়ান বিশপ, ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ইয়ন মরগান, কোচ থেকে ধারাভাষ্যকার ন্যাটালি জারমানোস, আইসিসির প্রতিনিধি গৌরব সাক্সেনা এবং শ্রীলঙ্কার জ্যেষ্ঠ ক্রীড়া সাংবাদিক রেক্স ক্লেমেন্টাইন।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিম অব দ্য টুর্নামেন্ট-
শাহিবজাদা ফারহান (পাকিস্তান)
৭ ম্যাচে ৩৮৩ রান, গড় ৭৬.৬০, স্ট্রাইক রেট ১৬০.২৫
সঞ্জু স্যামসন (উইকেটকিপার, ভারত)
৫ ম্যাচে ৩২১ রান, গড় ৮০.২৫, স্ট্রাইক রেট ১৯৯.৩৭
ইশান কিশান (ভারত)
৯ ম্যাচে ৩১৭ রান, গড় ৩৫.২২, স্ট্রাইক রেট ১৯৩.২৯
এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক, সাউথ আফ্রিকা)
৮ ম্যাচে ২৮৬ রান, গড় ৪৭.৬৬, স্ট্রাইক রেট ১৬৫.৩১
হার্দিক পান্ডিয়া (ভারত)
৯ ম্যাচে ২১৭ রান, স্ট্রাইক রেট ১৬০.৭৪, উইকেট ৯টি
উইল জ্যাকস (ইংল্যান্ড)
৮ ম্যাচে ২২৬ রান, স্ট্রাইক রেট ১৭৬.৫৬, উইকেট ৯টি
জেসন হোল্ডার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)
৭ ম্যাচে ১০ উইকেট, রান ১৪১
জসপ্রিত বুমরাহ (ভারত)
৮ ম্যাচে ১৪ উইকেট, গড় ১২.৪২, ইকোনমি ৬.২১
লুঙ্গি এনগিডি (সাউথ আফ্রিকা)
৭ ম্যাচে ১২ উইকেট, গড় ১৫.৫৮, ইকোনমি ৭.১৯
আদিল রশিদ (ইংল্যান্ড)
৮ ম্যাচে ১৩ উইকেট, গড় ১৯.২৩, ইকোনমি ৮.১৫
ব্লেসিং মুজারাবানি (জিম্বাবুয়ে)
৬ ম্যাচে ১৩ উইকেট, গড় ১৪.৪৬, ইকোনমি ৭.৮৮
দ্বাদশ খেলোয়াড়
শ্যাডলি ভ্যান শ্যালউইক (যুক্তরাষ্ট্র)
চার ম্যাচে ১৩ উইকেট