সেমিফাইনাল নিয়ে আইসিসির নতুন সিদ্ধান্ত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল সূচি নিয়ে নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। জানানো হয়েছে, প্রথম সেমিফাইনালের ভেন্যু নির্ধারণ নির্ভর করবে কোন দলগুলো শেষ চারে উঠছে এবং সম্ভাব্য ম্যাচ-আপ কী দাঁড়ায় তার ওপর। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা সেমিফাইনালে পৌঁছালে নিজেদের মাটিতে খেলার সুযোগ পেতে পারে।

সুপার এইট পর্বের দল চূড়ান্ত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে পাঠানো বার্তায় আইসিসি জানায়, প্রথম সেমিফাইনালটি ‘ফ্লোটিং’ বা ভাসমান সূচিতে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ পরিস্থিতি অনুযায়ী ম্যাচটি হতে পারে কলম্বো কিংবা কলকাতায়। কোন দল সেমিফাইনালে উঠছে এবং তাদের প্রতিপক্ষ কে- সেই সমীকরণেই ঠিক হবে আয়োজক শহর।

নির্দেশনা অনুযায়ী, পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠলে ৪ মার্চ প্রথম সেমিফাইনাল হবে কলম্বোর আর. প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে। পাকিস্তান না উঠলেও শ্রীলঙ্কা যদি সেমিফাইনালে যায় এবং তাদের প্রতিপক্ষ ভারত না হয়, তাহলেও ম্যাচটি হবে কলম্বোতেই। অর্থাৎ ভারত ছাড়া অন্য যেকোনো দলের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কা খেললে আয়োজক শহর থাকবে কলম্বো।

অন্যদিকে, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা- দু’দলই যদি সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়, তাহলে পূর্বঘোষিত সূচি কার্যকর হবে। সে ক্ষেত্রে প্রথম সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে কলকাতায় এবং দ্বিতীয় সেমিফাইনাল হবে মুম্বাইয়ে। তখন সুপার এইটের গ্রুপ ১-এর শীর্ষ দল খেলবে গ্রুপ ২-এর রানার্সআপের বিপক্ষে কলকাতায়, আর গ্রুপ ২-এর শীর্ষ দল মুখোমুখি হবে গ্রুপ ১-এর রানার্সআপের সঙ্গে মুম্বাইয়ে।

ভারতের জন্য রাখা হয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। ভারত সেমিফাইনালে উঠলে তারা সাধারণত মুম্বাইয়েই খেলবে, প্রতিপক্ষ যেই হোক না কেন। তবে ভারত ও পাকিস্তান সেমিফাইনালে মুখোমুখি হলে সেই ম্যাচ আয়োজন করা হবে কলম্বোতে। অর্থাৎ এই সম্ভাব্য দ্বৈরথের জন্য নির্দিষ্ট ভেন্যু হিসেবে রাখা হয়েছে শ্রীলঙ্কার রাজধানী।

এদিকে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান সুপার এইটের একই গ্রুপে রয়েছে। ফলে নিয়ম অনুযায়ী সেমিফাইনালে তাদের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ নেই। একই গ্রুপের দুই দল শেষ চারে একে অপরের বিপক্ষে খেলতে পারে না।

নভেম্বরে প্রকাশিত সূচিতে বলা হয়েছিল, পাকিস্তান সেমিফাইনাল বা ফাইনালে উঠলে তারা শ্রীলঙ্কায় খেলবে। এমনকি পাকিস্তান ফাইনালে উঠলে আহমেদাবাদের বদলে কলম্বোতে ফাইনাল আয়োজনের কথাও উল্লেখ ছিল। তবে শ্রীলঙ্কা নিজে নকআউট পর্বে উঠলে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে, সে বিষয়ে তখন বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। সর্বশেষ ব্যাখ্যায় সেই বিষয়টিই স্পষ্ট করেছে আইসিসি।

আরো পড়ুন: