আইসিসি-পিসিবির বৈঠকে বুলবুল কেন, যা বলছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় গত ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। এরপর স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি এগোতে থাকে। তবে ১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সরকার বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিলে নতুন করে চাপে পড়ে আইসিসি। এই পরিস্থিতিতে গত রবিবার পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে আলোচনায় বসতে লাহোর সফর করেন আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা।

আইসিসির প্রতিনিধি পাকিস্তানে পৌঁছানোর আগেই একই দিন সকালে লাহোরে যান বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম। তিনি পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠক করেন এবং পরে আইসিসির সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নেন। বৈঠক শেষে রাতেই পাকিস্তান ত্যাগ করেন বিসিবি সভাপতি।

পাকিস্তানের গণমাধ্যমগুলোর মতে, ভারত-ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনায় বাংলাদেশের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়, 'টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে আইসিসি ও বিসিবির মধ্যকার আলোচনায় পিসিবি মূল সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করেছে।'

সূত্রের বরাতে জিও টিভির অনলাইন সংস্করণ জানিয়েছে, বিসিবি আইসিসির কাছে কিছু দাবি উত্থাপন করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, 'আইসিসি দাবিগুলোর প্রতি ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে এবং বিসিবির অভিযোগগুলো সমাধানে একটি ফর্মুলা তৈরি করা হয়েছে।'

একই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, 'আইসিসি ও বিসিবি নিজেদের মধ্যে প্রস্তাব বিনিময় করেছে।' দীর্ঘ বৈঠকের পর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ইমরান খাজা আইসিসি সদর দপ্তরে ফিরে গেছেন এবং এ বিষয়ে আমিনুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গেও আলোচনা করবেন।

জিও টিভিকে সূত্রটি আরও জানায়, 'প্রস্তাবিত ফর্মুলা নিয়ে একমত হলে পরবর্তী পদক্ষেপ চূড়ান্ত করতে আইসিসি ও বিসিবির কর্মকর্তারা আবার আলোচনায় বসবেন।'

এদিকে এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও দ্য ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে পিসিবি আইসিসির কর্মকাণ্ডে রাজনীতির প্রভাব এবং ভারতের ভূমিকার বিষয়টি তুলে ধরে। সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, আইসিসি পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, 'বাংলাদেশকে সরাসরি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সুযোগ না থাকলেও আইসিসির আয় থেকে তাদের পূর্ণ অংশ নিশ্চিত করা হবে।'

পাশাপাশি এনডিটিভির দাবি, বাংলাদেশকে ক্ষতিপূরণ, অংশগ্রহণ ফি এবং ভবিষ্যতে একটি আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের স্বত্ব দেওয়ার বিষয়গুলো আলোচনায় এসেছে।

আরো পড়ুন: