ভারতীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশকে বিশেষ নিরাপত্তা দিতেও রাজি ছিল ভারত। তবে আদতে আইসিসির কাছ থেকে এমন কোনো প্রস্তাব পায়নি বিসিবি। এমনটাই নিশ্চিত করেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে অন্তর্ভূক্ত করেছে আইসিসি।
তিনি বলেন, 'বিশ্বকাপে আমরা যেতে পারিনি নিরাপত্তাজনিত কারণে। এর পেছনে হাজারটা কারণ ছিল। আইসিসি এমন কিছু করেনি, যাতে আমাদের যাওয়া উচিত। বিশেষ করে, প্রচলিত মানসম্মত নিরাপত্তা প্রটোকলের বাইরে নতুন কোনো নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেয়া হয়নি।'
বাংলাদেশের বিশ্বকাপে খেলতে না যাওয়া সরকারের সিদ্ধান্ত ছিল বলে আবারও নিশ্চিত করেছেন ফারুক। সেই সঙ্গে পাকিস্তানের কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় তারা শুরু থেকেই বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়েছে। এমনকি ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপের ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। বিশ্বের অনেক সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকাররাও বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
এই বিষয়ে বিসিবির এই কর্মকর্তা বলেন, 'সরকার যদি আপনাকে জিও না দেয় আপনি যেতে পারবেন না। এটা সরকারের একটি সিদ্ধান্ত ছিল যেটা ক্রিকেট বোর্ড সমর্থন করেছে। পাকিস্তান আমাদের পাশে ছিল এবং পরবর্তীতে আপনারা দেখেছেন প্রচুর সাবেক ক্রিকেটার ধারাভাষ্যকার তারা বলেছে যে আসলে বাংলাদেশকে এই বিশ্বকাপ থেকে বঞ্চিত করাটা ঠিক হয়নি।'
তিনি আরও যোগ করেন, 'একজন খেলোয়াড় হিসেবে অবশ্যই বিষয়টি আমার ভালো লাগছে না। আমাদের কোনো খেলোয়াড়, কোনো দর্শক, কোনো সাংবাদিক কিংবা কোনো কর্মকর্তার যদি কোনো রকম দুর্ঘটনা ঘটে এবং সেটার সম্ভাবনা ছিল প্রচুর। আমরা একাধিকবার আইসিসির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছি। কিন্তু তারা প্রচলিত মানসম্মত নিরাপত্তা প্রটোকলের বাইরে নতুন কোনো পরিকল্পনা আমাদের দিতে পারেনি।'