এই সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে আইসিসির একটি প্রতিনিধি দল এখন পাকিস্তানে। সেখানে যোগ দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এর ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো সংবাদ সংস্থা আইএএনএসকে নিশ্চিত করেছে, ম্যাচটি আয়োজনের পথে বড় কোনো বাধা আর নেই।
সংশ্লিষ্টদের আশা দ্রুতই এই সমস্যার সমাধান হবে এবং পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে খেলতেও রাজি হয়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে পিসিবির একটি সূত্র আইএএনএসকে জানিয়েছে, 'বৈঠক চলছে এবং ফেব্রুয়ারি ১৫ তারিখে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা ৯৯ শতাংশ।'
এর আগে পিসিবি ঘোষণা দিয়েছিল, তারা কলম্বোতে নির্ধারিত ১৫ ফেব্রুয়ারির টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না। পাকিস্তান সরকারের অনুমোদনে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার শর্ত হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। সরকারের অবস্থান ছিল বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে নামবে না তারা।
পাকিস্তানের এই ঘোষণার পরপরই আইসিসি পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। আইসিসি পিসিবিকে পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানায় এবং সতর্ক করে দেয় নির্বাচিত ম্যাচ বর্জনের মতো সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মূল চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
আইসিসি আশা করছে, পিসিবি এই সিদ্ধান্তের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবগুলো বিবেচনা করবে। কারণ এমন সিদ্ধান্ত শুধু পাকিস্তানের ক্রিকেটকেই প্রভাবিত করবে না, বরং বিশ্ব ক্রিকেটকেও প্রভাবিত করতে পারে। যার অংশীদার ও সুবিধাভোগী পিসিবি নিজেও।