যদিও এখনও পর্যন্ত আইপিএলের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করেনি আয়োজকরা। এদিকে ২০২৫ আইপিএলের চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। গত আসরের ফাইনালে তারা পাঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল। সেই ম্যাচটি হয়েছিল আহমেদাবাদে।
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সচিব সন্তোষ মেনন নিশ্চিত করেন, এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর পাঁচটি হোম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি এই ভেন্যুতেই এবারের আইপিএলের আসরের ফাইনাল এবং একটি প্লে-অফ ম্যাচ আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।
বেঙ্গালুরুর বাকি দুটি হোম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ছত্তিশগড়ের রায়পুরে অবস্থিত শহীদ বীর নারায়ণ সিং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু জানায়, তারা অধিকাংশ হোম ম্যাচ নিজস্ব মাঠেই খেলতে পারবে।
তারা বিবৃতিতে বলেছে, ‘বেঙ্গালুরুতে ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রে কর্ণাটক সরকার, কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এবং কর্ণাটক পুলিশের নিরবচ্ছিন্ন দিকনির্দেশনা, সহযোগিতা ও সমর্থনের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। আইপিএল মৌসুমের আগে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা নিজেদের অধিকাংশ হোম ম্যাচ নিজেদের মাঠেই খেলতে পারবে।’
দলটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজেশ মেনন যোগ করেন, ‘এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম শুধু আমাদের হোম গ্রাউন্ড নয়। এখানেই একটি দল হিসেবে আমাদের পরিচয় সত্যিকার অর্থে প্রাণ পায়। বেঙ্গালুরুর সমর্থকেরা যে শক্তি এনে দেন, সেটিই আমাদের খেলোয়াড়দের প্রতিটি মুহূর্তে অনুপ্রেরণা জোগায়। আমাদের ভক্তরা সব সময় নিঃশর্তভাবে পাশে থেকেছেন। তাই নিজেদের মাঠে দলকে খেলতে দেখার সুযোগ তাদের প্রাপ্য।’
গত বছরের জুন মাস থেকে এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে ক্রিকেট আয়োজন স্থগিত ছিল। আইপিএল ২০২৫ শিরোপা জয়ের উদযাপনের সময় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর সমর্থকদের ভিড়ে পদদলিত হয়ে ১১ জন নিহত হন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হন। সেই ঘটনার পর থেকেই ভেন্যুটিতে ক্রিকেট কার্যক্রম বন্ধ ছিল।