পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো আইপিএলের শিরোপা জেতে বেঙ্গালুরু। শিরোপা জয়ের পর কর্ণাটক রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। কোহলিদের শিরোপা উদযাপন দেখতে স্টেডিয়ামে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয়। প্রত্যাশার চেয়ে বেশি মানুষ এলেও সেটার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল।
লাখো মানুষ উপস্থিততে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ায় পদদলিত হয়ে ১১ জন মারা যান। যা নিয়ে পরবর্তীতে মামলা মুখে পড়তে হয় কর্ণাটক রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ও বেঙ্গালুরু ফ্র্যাঞ্চাইজিকে। গুঞ্জন উঠেছিল, ঘরের মাঠে নিষিদ্ধ থাকতে পারেন কোহলিরা। যদিও অনেক প্রচেষ্টার পর এমন নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
আগামী ২৮ মার্চ পর্দা উঠতে যাচ্ছে আইপিএলের আগামী আসরের। সবকিছু ঠিক থাকলে বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে হবে ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের উদ্বোধনী ম্যাচ। আগামী মৌসুমেও চিন্নাস্বামীকে ঘরের মাঠ হিসেবে ব্যবহার করবেন কোহলিরা। যদিও পাঁচটির বেশি হোম ম্যাচ খেলতে পারবেন না তারা। পূর্ববর্তী প্রতিশ্রুতি অনুসারে রায়পুরের শহীদ বীর নারায়ণ স্টেডিয়ামে হবে দুইটি ম্যাচ।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে কয়েকটি হোম ম্যাচ খেলার জন্য ছত্তিশগড় সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করেছিলেন বেঙ্গালুরুর প্রধান নির্বাহী রাজেশ মেনন। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েকটি ম্যাচ খেলার জন্য অনুমতিও দিয়েছে তারা। আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে স্টেডিয়াম সংস্কারের কাজ শেষ করবে কর্ণাটক রাজ্য ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন (কেএসসিএ)।
মাঠে প্রবেশের ও বের হওয়ার গেইট প্রশস্ত করার কাজ বাকি আছে। সবশেষ অডিটে এসব সংস্কারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া অ্যাম্বুলেন্স প্রবেশের ও বের হওয়ার রাস্তাও প্রশস্ত করতে বলা হয়েছে। এমনকি পুরনো ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির সংস্কার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত দর্শক ধারণা ক্ষমতা কমানোর কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। যেটা নিয়ে বেঙ্গালুরুর সবচেয়ে বেশি উদ্বেগ ছিল।