মাঝারি লক্ষ্যে খেলতে নেমে চট্টগ্রামকে ভালো শুরু এনে দেন দুই ওপেনার নাইম শেখ ও মির্জা তাহির বেগ। দুজনে মিলে যোগ করেন ৬৪ রান। নাইম আউট হয়েছেন ৩৮ বলে ৩০ রান করে। এরপর তাহিরকে সঙ্গ দিয়েছেন হাসান নেওয়াজ। তবে নেওয়াজ বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি। তিনি ফেরেন ২০ রান করে। ১১ রানের বেশি করতে পারেননি আসিফ আলীও।
একপ্রান্ত আগলে রেখে শেষদিকে এসে ৪৭ বলে ৪৫ রান করে আউট হন তাহির। এরপর অবশ্য অধিনায়ক শেখ মেহেদী ও আমের জামাল মিলে চট্টগ্রামকে জিতিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। রাজশাহীর হয়ে একাই ২ উইকেট নেন সাইকলাইন। একটি করে উইকেট পান বিনুরা ফার্নান্দো ও হাসান মুরাদ। শেষ ওভারে জিততে চট্টগ্রামের প্রয়োজন ছিল ৯ রান। বল করতে আসেন রিপন মন্ডল। তবে ৩ বলেই সেই রান নিয়ে নেন মেহেদী। যার মধ্যে ছিল একটি ছক্কা।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে শাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ মিলে যোগ করেন ৩০ রান। এরপর দলীয় ৫০ এর আগেই ৩ উইকেট হারায় রাজশাহী। ২১ রান করে আউট হন ফারহান। ৮ রান করে ফিরে যান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শূন্য রানে আউট হয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমও।
পরপর দুই বলে শান্ত ও মুশফিককে ফিরিয়ে চট্টগ্রামকে ছন্দ এনে দেন শেখ মেহেদী। এরপর আকবর আলীও ব্যর্থ হয়েছেন। তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৩ রান। তানজিদ একপ্রান্ত আগলে রেখে রাজশাহীর রানের চাকা সচল রাখেন। যদিও হাফ সেঞ্চুরির আগেই ফিরতে হয় তাকে।
এই ওপেনারের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ বলে ৪১ রানের ইনিংস। শেষদিকে রান বাড়াতে পারেননি জিমি নিশামও। কিউই এই অলরাউন্ডারের মাত্র ৬ রান করেই আউট হয়েছেন। বার্ল আউট হন ৩ রান করে। শেষদিকে এসে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। তার ১৫ বলে ৩২ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে যায় রাজশাহী।