দুই দেশের রাজনৈতিক বৈরিতার জন্য এক যুগের বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিবেশী দুই দেশের মাঠের লড়াই দেখতে তাকিয়ে থাকতে হয় আইসিসি কিংবা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) টুর্নামেন্টের দিকে। ভারত-পাকিস্তানের সবশেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়েছে ২০১৩ সালে। ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে সেবার ভারত সফর করেছিল পাকিস্তান।
টেস্ট সিরিজ হয়েছে প্রায় দুই দশক আগে। ২০০৭ সালে টেস্ট সিরিজ খেলতে পাকিস্তানই গিয়েছিল ভারতে। গত দুই দশকের মধ্যে সাদা বলের ক্রিকেট খেলতে ২০০৮ সালে পাকিস্তান সফর করেছিল ভারত। এর আগে ২০০৬ সালে পাকিস্তানে গিয়ে টেস্ট সিরিজ খেলেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। কয়েক বছরের জন্য কয়েকটি সিরিজের চুক্তি হলেও সেগুলো আর মাঠে গড়ায়নি।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইসিসি কিংবা এসিসির টুর্নামেন্টগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলছে ভারত-পাকিস্তান। দুই দেশের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে ভারত পাকিস্তানে যায় না আবার পাকিস্তান ভারতে যায় না। হাইবিড মডেলের পরও সমস্যা কাটেনি। কদিন আগে ভারত ম্যাচ বর্জন করে পাকিস্তান। যদিও সামগ্রিক ক্রিকেটের স্বার্থে সদস্য দেশগুলোর অনুরোধে সিদ্ধান্ত বদলে ফেলে পাকিস্তান। তবে ভবিষ্যতে তারা খেলবে কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়।
ভারত-পাকিস্তানের এমন কাণ্ডে বিরক্ত। পাশাপাশি হাইব্রিড মডেলে বিশ্বকাপ হওয়ায় লজিস্টিকজনিত সমস্যায় পড়তে হয় ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে। যার ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখেও পড়তে হয়। ভবিষ্যত সূচি অনুযায়ী, ২০২৯ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করবে ভারত। ২০৩১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপের আয়োজক বাংলাদেশ ও ভারত। সম্প্রতি বাংলাদেশও ভারতে যেতে রাজি হয়নি।
আগামী সেপ্টেম্বরে তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলতে ভারত বাংলাদেশ সফরে আসবে কিনা সেটাও নিশ্চিত না। এমন পরিস্থিতিতে দুইটি টুর্নামেন্টই সরিয়ে নেওয়ার কথা ভাবছে আইসিসি। যেখানে আয়োজক হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছে অস্ট্রেলিয়া। এর আগে ২০২৮ সালে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করবে তারা। গত ২০২২ সালেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল অজিরা।