‘চাপ না থাকলে তো মজাও নেই’, ফাইনালের আগে সূর্যকুমার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
সূর্যকুমার যাদব, ফাইল ফটো
সূর্যকুমার যাদব, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বিশ্বকাপজুড়ে চাপ নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে এসেছেন সূর্যকুমার যাদব। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে চাপকে অস্বীকার না করে বরং সেটিকে উপভোগ করার কথাই বারবার বলেছেন তিনি। ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় ম্যাচের আগেও সেই একই দর্শনের প্রতিফলন দেখা গেল ভারতীয় অধিনায়কের কণ্ঠে। বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে তিনি জানালেন, বরাবরের মতোই চাপ উপভোগ করছেন।

চাপের ম্যাচ নতুন নয় সূর্যকুমারের জন্য। ২০২৩ বিশ্বকাপের ফাইনালে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে খেলেছিলেন তিনি। হৃদয়ভাঙা সেই ম্যাচটিই এখনও পর্যন্ত তার শেষ ওয়ানডে। পরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে শেষ মুহূর্তে তার নেয়া একটি দুর্দান্ত ক্যাচ ভারতের জয়ে বড় ভূমিকা রাখে। এবার আবারও ফাইনালের মঞ্চে তিনি, প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড।

তবে আগের দুই ফাইনালের তুলনায় এবার তার জন্য পরিস্থিতি আলাদা। কারণ এবার তিনি অধিনায়ক। বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক হওয়ার সম্ভাবনা সামনে রেখে ম্যাচটির গুরুত্বও তাই অন্যরকম।

ফাইনালের আগের দিন তিনি বলেন, 'এটা বিশেষ অনুভূতি যে কালকে (রোববার) দলকে নেতৃত্ব দেব, এমন অসাধারণ একটি দলকে ফাইনালে নেতৃত্ব দেব। সেটিও দেশের মাঠে এবং এরকম দুর্দান্ত এক স্টেডিয়ামে। দারুণ অনুভূতি ও সবাই মুখিয়ে আছে মাঠে নামতে।'

দেশের মাটিতে বিশ্বকাপ ফাইনাল, কোটি সমর্থকের প্রত্যাশা- সবকিছু মিলিয়ে চাপ যে আছে, সেটিও স্বীকার করেছেন ৩৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। তবে সেই চাপকেই তিনি দেখছেন রোমাঞ্চের অংশ হিসেবে।

'স্নায়ুর চাপ অবশ্যই আছে। পেটে প্রজাপতির নাচন অনুভব করব। তবে সবসময়ই যেটা বলি, চাপ না থাকলে তো মজাও নেই। কাজেই আমি খুবই রোমাঞ্চিত এবং দলের সব ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ সবাই রোমাঞ্চিত। আমি নিশ্চিত, গোটা দেশই রোমাঞ্চ নিয়ে অপেক্ষায়।'

আহমেদাবাদের এই মাঠের সঙ্গে সূর্যকুমারের স্মৃতিও জড়িয়ে আছে। ২০২১ সালের মার্চে এখানেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল তার। প্রথম ইনিংসেই ৩১ বলে ৫৭ রান করেছিলেন তিনি। সেই মাঠেই এবার বিশ্বকাপ ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

ক্যারিয়ারের এই যাত্রাপথে এসে এমন মঞ্চে দলকে নেতৃত্ব দিতে পেরে নিজের অনুভূতিও তুলে ধরেন ভারতের অধিনায়ক, 'ছয় বছর বেশ লম্বা সময়। এই পথচলায় এসে দলকে এমন একটি মঞ্চে নেতৃত্ব দিতে পেরে আমি খুবই খুশি। আমার পরিবারের জন্যও দারুণ সময়। এখন মাঠে নামার অপেক্ষা।'

ফাইনাল ঘিরে বাড়তি চাপ তৈরি না করে স্বাভাবিক পরিকল্পনাতেই এগোতে চান তিনি, 'আমরা সবকিছু স্বাভাবিক রাখতে চাই। খুব জটিল করতে চাই না। ভালো অনেক কিছুই আমরা করে আসছি, সেগুলোই করে যেতে চাই।'

আরো পড়ুন: