বাংলাদেশ সফরের প্রস্তুতি নিতে হানিফ মোহাম্মদ ক্রিকেট একাডেমিতে দুই দিনের অনুশীলন ক্যাম্পের আয়োজন করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারা সেখানেই প্রস্তুতি নিয়েছেন। ক্যাম্পের প্রতিদিন উপস্থিত ছিলেন ১১ ক্রিকেটার। দ্বিতীয় দিন যুক্ত হয়েছেন সাদ মাসুদ, শ্যামিল হোসেন, মাজ সাদাকাত ও আব্দুল সামাদ।
দুই দিনের ক্যাম্প শেষে ৮ মার্চ (রবিবার) ভোরে বাংলাদেশের বিমান ধরবেন শাহীন আফ্রিদিরা। তাদের সঙ্গে একই ফ্লাইটে চড়ে বাংলাদেশে আসবেন রমিজ ও ধর্মসেনা। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে আসছেন রমিজ। ধর্মসেনা আসছেন ম্যাচ অফিসিয়াল হিসেবে কাজ করতে।
আইসিসির বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি ওয়ানডে সিরিজে বিদেশি কিংবা নিরপেক্ষ আম্পায়ার থাকা বাধ্যতামূলক। যার অংশ হিসেবে বাংলাদেশে আসছেন শ্রীলঙ্কান আম্পায়ার। এদিকে পাকি্তোনের ক্রিকেটাররা আসার আগেই বাংলাদেশে পা রেখেছেন ৫ সদস্যের কোচিং স্টাফ।
প্রধান কোচ মাইক হেসনের সঙ্গে আছেন ফিল্ডিং কোচ শেন ম্যাকডারমট, বোলিং কোচ অ্যাশলে নফকে, স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ গ্র্যান্ট লুডেন এবং ফিজিওথেরাপিস্ট ক্লিফ ডিকন। বাংলাদেশ সফরের ওয়ানডে দলে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন এনেছে পাকিস্তান। সবচেয়ে বড় চমক সাইম আইয়ুব ও বাবর আজমের না থাকা।
তাদের দুজনের বাইরে সবশেষ ওয়ানডে সিরিজ থেকে বাদ পড়েছেন ফখর জামান, হাসিবউল্লাহ খান, হাসান নাওয়াজ, মোহাম্মাদ নাওয়াজ ও নাসিম শাহ। তাদের মধ্যে ফখরকে চোটের কারণে রাখা হয়নি। নতুন করে ওয়ানডে দলে সুযোগ পেয়েছেন অভিষেকের অপেক্ষায় থাকায় সামাদ, সাদাকাত, মুহাম্মাদ গাজি ঘোরি, সাদ মাসুদ ও শামিল। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে সুযোগ মিলেছে ফারহানেরও।