সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০ রানে ৩ উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত তারা ৭ উইকেটে ১৮৭ রান তুলতে পেরেছিল। ভারতের পরের ম্যাচ রোববার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬ উইকেটে ২৫৪ রান করেছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এবং সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ৮৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৭৬ রান সংগ্রহ করে ক্যারিবিয়ানরা।
ভারত এদিন পাঁচজন মূল বোলার নিয়ে খেলেছে। জসপ্রিত বুমরাহর সঙ্গে ছিলেন, আর্শদীপ সিং, বরুণ চক্রবর্তী, হার্দিক পান্ডিয়া ও অক্ষর প্যাটেল। ষষ্ঠ বোলিং অপশন হিসেবে এবারের বিশ্বকাপে তারা ব্যবহার করেছে শিভম দুবেকে। মাঝে মাঝে বোলিং করেছেন অভিষেক শর্মা, তিলক ভার্মা ও রিঙ্কু সিং।
যদিও দুবের বোলিং পরিসংখ্যান খুব একটা সন্তোষজনক নয়। ৯.২ ওভারে তিনি দিয়েছেন ১২৪ রান, ইকোনমি ১৩.২৮। পাঁচটি উইকেট নিয়েছেন তিনি। ভারতের এই ষষ্ঠ বোলিং অপশন নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের কিংবদন্তি স্পিনার অনীল কুম্বলে ও সাউথ আফ্রিকার তারকা ব্যাটার ফাফ ডু প্লেসি।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোর ‘টাইমআউট’ অনুষ্ঠানে কুম্বলে বলেন, 'গত ১৮ মাসে ভারতের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট দেখলে বোঝা যায়, তারা প্রায় সব ম্যাচ জিতেছে এবং এই সময়ে তিলক ভার্মা বল করেছে, অভিষেক শর্মা বল করেছে, দুবে বল করেছে। এমনকি রিঙ্কু সিং এবং সূর্যকুমার যাদবও বল করেছে। সে দিক থেকে দেখলে ভারতের হাতে বিকল্প আছে, যা ভালো বিষয়। তবে ফ্ল্যাট উইকেটে চ্যালেঞ্জ আসবে। আদর্শভাবে ভারত চাইবে আটজন ব্যাটার নিয়ে খেলতে, সাতজন ব্যাটার ও পাঁচজন বিশেষজ্ঞ বোলার নিয়ে নামার চেয়ে।'
ডু প্লেসিও একমত যে ভারতের ষষ্ঠ বোলিং বিকল্প প্রতিপক্ষ দলের কাছে দুর্বলতার জায়গা হিসেবে ধরা পড়তে পারে। কৌশলগতভাবে প্রতিপক্ষ দলগুলো বুমরাহ ও বরুণের মতো প্রধান বোলারদের সামলে নিয়ে অপেক্ষাকৃত কম ভয়ঙ্কর বোলারদের ওপর চড়াও হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাটিং বান্ধব উইকেটগুলোতে। তাই এই বিষয়টি নিয়ে ভারতকে ভাবার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
ডু প্লেসি বলেন, 'একদমই তাই। আপনি দেখবেন এবং ভাববেন, বিপজ্জনক বোলার কে? বেশিরভাগ সময় সেটি বুমরাহ। সেদিন পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন, যদি অন্য কোনো বোলারের ওপর শুরুতেই চাপ তৈরি করা যায়, তাহলে ষষ্ঠ বোলিং বিকল্পকে আনা হবে। যদি তা হয় এবং সে যদি ওয়াইড ইয়র্কার বা ডিফেন্সিভ লাইনে বল করে, তাহলে তাকে লক্ষ্য বানিয়ে আক্রমণ করা সম্ভব।'