রাজনৈতিক বৈরিতার জন্য এক যুগের বেশি সময় ধরে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে না ভারত-পাকিস্তান। বর্তমান সময়ে চির প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশের মাঠের লড়াই দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হয় আইসিসির টুর্নামেন্ট কিংবা এশিয়া কাপের দিকে। ক্রিকেট জগতে অন্যতম জনপ্রিয় ম্যাচ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে ভারত-পাকিস্তানের লড়াইকে। সেটা হোক মাঠের ক্রিকেট কিংবা ব্যবসায়িক দিক থেকে।
স্বাভাবিকভাবেই দুই দেশের খেলা দেখতে মুখিয়ে থাকে পুরো ক্রিকেট দুনিয়া। পাকিস্তান যদি শেষ পর্যন্ত ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি না খেলে তাহলে বড় অঙ্কের লোকসান হবে। ২০০ কোটি রুপি আয়ের সুযোগ হারাতে পারে আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার পাশাপাশি ব্রডকাস্টার, বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান কিংবা অন্যান্য ব্যবসা মিলে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ হাজার ১২০ কোটি ক্ষতি হতে পারে।
যার প্রভাব পড়বে আইসিসির রাজস্ব বণ্টনে। এমন অবস্থায় সব সদস্য দেশেরই লোকসান হবে। ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি, ভারতের সঙ্গে ম্যাচ না খেললে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে পাকিস্তান। এমন পরিস্থিতি সমস্যা সমাধানে আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান খাওয়াজাকে দায়িত্ব দিয়েছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এমনটা জানিয়েছে এনডিটিভি।
আইসিসিতে সিঙ্গাপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনকে প্রতিনিধিত্ব করছেন খাওয়াজা। ফার্স্টপোস্ট জানিয়েছে, ভারত ও পাকিস্তানের সমাধানে নিরপেক্ষ ব্যক্তি হিসেবে খাওয়াজাকে দায়িত্ব দিয়েছে আইসিসি। অনানুষ্ঠানিকভাবে পিসিবির চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিশ্বাস, ভারত ম্যাচ খেলাতে পাকিস্তানকে রাজি করাতে পারবেন আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান।