অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ২২ বলে ৪০ রান করেছিলেন পাকিস্তানের বাঁহাতি ব্যাটার। সেই ম্যাচে ২৯ রান খরচায় নিয়েছিলেন ম্যাথু শর্ট ও ট্রাভিস হেডের উইকেট। দ্বিতীয় ম্যাচে ২৩ রান করার পাশাপাশি একটি উইকেট নিয়েছিলেন সাইম। সিরিজের শেষ ম্যাচে অবশ্য বোলিংয়ের সুযোগ মেলেনি তাঁর। তবে ব্যাটিংয়ে বাজিমাত করেন বাঁহাতি ওপেনার।
দুই ছক্কা ও ছয়টি চারে ৩৭ বলে ৫৬ রান করেন সাইম। সব মিলিয়ে পুরো সিরিজে ব্যাটিংয়ে ১১৯ রান করা পাকিস্তানি অলরাউন্ডার নিয়েছেন তিনটি উইকেট। এমন পারফরম্যান্সে আইসিসির টি-টোয়েন্টি অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে শীর্ষে উঠেছেন তিনি। দুইয়ে নেমে গেছেন রাজা। আগের মতোই তিনে আছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তবে এক ধাপ এগিয়ে চারে উঠেছেন মোহাম্মদ নাওয়াজ।
ব্যাটিংয়েও উন্নতি হয়েছে সাইমের। ৮ ধাপ এগিয়ে কামিল মিশারার সঙ্গে যৌথভাবে ২৭ নম্বরে আছেন বাঁহাতি ওপেনার। ১২ ধাপ এগিয়েছেন সালমান আলী আঘা। প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে আলো ছড়িয়ে ২৯ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। শেষ ম্যাচে হাফ সেঞ্চুরির পরও তিন ধাপ পিছিয়ে ৩৪ নম্বরে নেমে গেছেন বাবর আজম। ব্যাটিং ভালো করতে না পারায় অবনতি হয়েছে সাহিবজাদা ফারহানেরও। দুই ধাপ পিছিয়ে বর্তমানে আছেন সাতে।
টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে আগের মতোই শীর্ষে আছেন অভিষেক শর্মা। সেরা দশে থাকা ব্যাটারদের মধ্যে উন্নতি হয়েছে জস বাটলার, পাথুম নিশাঙ্কা, সূর্যকুমার যাদব ও টিম সেইফার্টের। বিশেষ কিছু করতে না পারলেও ধারাবাহিকতার ফলে ১৬ ধাপ এগিয়ে ১৪ নম্বরে উঠে এসেছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্যামেরন গ্রিন। কুইন্টন ডি কক ১৫ ধাপ এগিয়ে আছেন ২২ নম্বরে।
নিউজিল্যান্ড সিরিজে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন ইশান কিশান। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ৩২ ধাপ এগিয়ে ৩২ নম্বরে উঠে এসেছেন। সাউথ আফ্রিকার রায়ান রিকেলটন এগিয়েছেন ৪২ ধাপ। বর্তমানে ৪০ নম্বরে আছেন সাউথ আফ্রিকার উইকেটকিপার ব্যাটার। বোলারদের মধ্যে দুই ধাপ এগিয়ে দুইয়ে উঠেছেন আবরার আহমেদ। দুই ধাপ এগোনো আদিল রশিদ উঠে এসেছেন চারে। তবে আগের মতোই শীর্ষে আছেন ভারতের বরুণ চক্রবর্তী।