অস্ট্রেলিয়া সিরিজের পাকিস্তান দলে ফিরলেন বাবর-আফ্রিদি

পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বিগ ব্যাশের পুরো মৌসুম খেলার জন্যই এনওসি পেয়েছিলেন বাবর আজম। তবে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দিতে হোবার্ট হারিকেন্সের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলেই দেশে ফিরতে হয়েছে ডানহাতি ব্যাটারকে। খেলা হচ্ছে না পার্থ স্কচার্সের বিপক্ষে বিগ ব্যাশের ফাইনালেও। অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফেরার পাশাপাশি পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলেও ফিরেছেন বাবর। শ্রীলঙ্কা সফরে না থাকা শাহীন আফ্রিদিকেও ফেরানো হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে।

সিডনি সিক্সার্সের হয়ে বিগ ব্যাশের পুরো আসর খেলার কথা থাকায় শ্রীলঙ্কা সফরের পাকিস্তান দলে ছিলেন না বাবর। যদিও অস্ট্রেলিয়ার টুর্নামেন্টে সময়টা ভালো যায়নি ডানহাতি ব্যাটারের। সিক্সার্সের হয়ে ১১ ম্যাচে মাত্র ১০৩.০৬ গড়ে ২০২ রান করেছেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে পেয়েছেন দুইটি হাফ সেঞ্চুরি। ব্যাট হাতে ছন্দে না থাকলেও অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ফেরানো হয়েছে তাকে। একই টুর্নামেন্টে খেলছিলেন শাহীন আফ্রিদি।

ব্রিসবেন হিটের হয়ে চারটির বেশি ম্যাচ খেলতে পারেননি বাঁহাতি পেসার। অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে বোলিং করার সময় চোট পেয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে পুনর্বাসনের জন্য পিসিবির ডাকে দেশে ফেরেন শাহীন আফ্রিদি। বিগ ব্যাগ ছাড়ার আগে ওভারপ্রতি ১১.১৯ রান দিয়ে মাত্র দুইটি উইকেট নিয়েছিলেন পাকিস্তান তারকা। চোটের পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া না গেলেও তাকে রাখা হয়েছে স্কোয়াডে।

অস্ট্রেলিয়ার টুর্নামেন্টে মেলবোর্ন স্টার্সের হয়ে ২০ উইকেট নিয়েছেন হারিস রউফ। বিগ ব্যাশে এমন পারফরম্যান্স করলেও জাতীয় দলে ফিরতে পারেননি তিনি। সবশেষ এশিয়া কাপের ফাইনালের পর থেকেই টি-টোয়েন্টি দলের বাইরে আছেন ডানহাতি পেসার। বিশ্বকাপে থাকবেন কিনা সেটা নিয়েও সংশয় আছে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হারিসকে ছাড়াই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে শ্রীলঙ্কায় যাবেন মাইক হেসনের দল।

চলতি জানুয়ারির শুরুতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেকেই ২৬ রান করেছেন খাওয়াজা নাফে। এক ম্যাচ খেলেই টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা ধরে রেখেছেন ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটার। নাফে ছাড়াও উইকেটকিপার হিসেবে আছেন উসমান খান। পাকিস্তান দলের স্পিন বিভাগে আবরারের সঙ্গে আছেন শাদাব খান, উসমান তারিক ও মোহাম্মদ নাওয়াজ। পেস বোলিংয়ে শাহীন আফ্রিদির সঙ্গে রাখা হয়েছে সালমান মির্জা, নাসিম শাহ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র এবং ফাহিম আশরাফকে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে ২৮ জানুয়ারি লাহোরে পৌঁছাবে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের প্রথম দুই টি-টোয়েন্টি হবে ২৯ ও ৩১ জানুয়ারি। শেষ ম্যাচটি মাঠে গড়াবে ১ ফেব্রুয়ারি। পাকিস্তান সময় বিকেল ৪ টায় ম্যাচগুলো হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। অস্ট্রেলিয়া সিরিজ শেষ করেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে শ্রীলঙ্কায় যাবে পাকিস্তান।

পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড— সালমান আলী আঘা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, খাওয়াজা নাফে, মোহাম্মদ নাওয়াজ, সালমান মির্জা, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, নাসিম শাহ, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, শাহীন শাহ আফ্রিদি, শাদাব খান, উসমান খান এবং উসমান তারিক।

আরো পড়ুন: