নারিনের কাছে উদযাপন ‘কঠিন’, তবে সুপার ওভার ‘সহজ’

আইপিএল
উইকেটের পর সুনীল নারিনের উল্লাস, ফাইল ফটো
উইকেটের পর সুনীল নারিনের উল্লাস, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে ম্যাচে বল হাতে নিয়ন্ত্রিত ছিলেন সুনীল নারিন। কলকাতার বোলারদের মধ্যে একমাত্র তিনিই ওভারপ্রতি ছয়ের কম করে রান দেন। তাই ম্যাচ যখন সুপার ওভারে গড়ায়, শেষ ওভারটি কাকে দেয়া হবে তা নিয়ে খুব একটা ভাবতে হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সকে।

সিদ্ধান্তটা সঠিক প্রমাণ করতে সময়ও নেননি নারিন। মাত্র তিন বলের মধ্যেই লক্ষ্ণৌয়ের দুই ব্যাটারকে ফিরিয়ে দেন তিনি। চাপের সেই মুহূর্তে তার অভিজ্ঞতা ও নিখুঁত লাইন-লেংথই পার্থক্য গড়ে দেয়।

ম্যাচ শেষে নারিন বলেন, 'আসলে এই সময়ে খুব একটা বিকল্প থাকে না হাতে। সুপার ওভারের পরিস্থিতি খুবই কঠিন। তবে আমার মতে, প্রথমে সুপার ওভার করা বেশ সহজ ব্যাপার।'

আগে ব্যাটিং করে কলকাতা করে ২০ ওভারে সাত উইকেটে ১৫৫ রান। রিঙ্কু সিংয়ের ৫১ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের কল্যাণে এই সংগ্রহ পায় দলটি। জবাবে ঋষভ পান্তের ৩৮ বলে ৪২ রানের ইনিংসে ১৫৫ রানে থামে লক্ষ্ণৌ।

সুপার ওভারে প্রথম বলেই নিকোলাস পুরানকে বোল্ড করেন নারিন। পরের বলে পান্ত নেন এক রান।, এরপরের বলে এইডেন মার্করামকে ফেরান নারিন। ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম বলে চার হাঁকিয়ে দল জেতান রিঙ্কু।

এদিকে লক্ষ্ণৌয়ের ব্যাটারদের পর পর ফিরিয়েও খুব একটা উচ্ছ্বাস করতে দেখা যায়নি নারিনকে। এ প্রসঙ্গে তার বক্তব্য, 'ক্রিকেট খুব কঠিন খেলা। তাই উচ্ছ্বাসের মতো বিষয় নিয়ে ভাবার সময় থাকে না। আমি তো সে সব নিয়ে চিন্তাও করি না।'

প্রথম বলেই নিকোলাস পুরানকে ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে নারিন বলেন, 'আগে থেকে কোনও পরিকল্পনা ছিল না। পরিস্থিতি এ সব বিষয় সহজ করে দেয়। গোটা দলের জন্য খুশি। আমরা খোঁড়াচ্ছিলাম। একটা একটা ম্যাচ ধরে এগোনোর চেষ্টা করলেই আমরা ভালো খেলব।'

শেষ দিকে চাপে পড়লেও সতীর্থদের পাশেই দাঁড়িয়েছেন তিনি। নারিন বলেন, 'এই ধরনের পরিস্থিতিতে খেলা খুবই কঠিন। সিনিয়র হোক বা জুনিয়র, সকলের কাছেই কঠিন। প্রতিটা ভুল থেকেই শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়। সেটা সংশোধন করতে হয়।'

শেষে সুপার ওভারে বল করার সিদ্ধান্ত নিয়ে এই ক্যারিবিয়ান জানান, 'সব কোচেরাই বলল আমার বল করা উচিত। আমি বললাম, ঠিক আছে।'

আরো পড়ুন: