কলকাতার ম্যানেজমেন্টের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পাঞ্জাবের বিপক্ষে ম্যাচের আগে পেটের ব্যথায় ভুগছিলেন নারিন। তবে সুস্থ হয়ে ওঠায় আবারও অনুশীলনে ফিরেছেন ডানহাতি এই স্পিনার। লক্ষ্ণৌ ম্যাচের দু’দিন আগে ব্যাটিং ও বোলিং অনুশীলন করেছেন তিনি। ২০১৯ সালের পর এবারই প্রথম নারিন ও বরুণকে ছাড়া খেলতে নেমেছিল কলকাতা। যদিও ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে গেছে।
নারিন ও বরুণ না থাকায় একমাত্র স্পিনার হিসেবে একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন বাঁহাতি স্পিনার অনুকূল রয়। তবে লক্ষ্ণৌর বিপক্ষে নারিনের ফেরা অভিজ্ঞতা বাড়াবে স্পিন বিভাগে। নারিন ফিরলেও বরুণ ফিরতে পারবেন কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ফিল্ডিং করার সময় বাঁ হাতের আঙুলে চোট পেয়েছিলেন তিনি।
সেই চোট নিয়েই বোলিং করেছিলে বরুণ। পাঞ্জাবের বিপক্ষে ম্যাচের সময় বাঁ হাতের আঙুলে টেপ পেঁচিয়ে ডাগ আউটে বসেছিলেন তিনি। কবে নাগাদ ফিরতে পারবেন সেটাও নিশ্চিত করেনি কলকাতা। ক্যামেরন গ্রিনকে নিয়ে সুখবর পেতে যাচ্ছে কলকাতা। গত ডিসেম্বরে নিলাম থেকে চড়া দামে অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডারকে কিনে নেয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
প্রথম তিন ম্যাচে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি গ্রিন। ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি পেস বোলিং করার কথা থাকলেও গত তিন ম্যাচের একটিতেও বোলিং করেননি তিনি। তবে লক্ষ্ণৌর বিপক্ষে বোলিংয়ে ফিরতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনটা হলে খানিকটা স্বস্তি পেতে পারে কলকাতা। কারণ হার্শিত রানা, মাথিশা পাথিরানাকে ছাড়া কলকাতার পেস বোলিং অনেকটা অনভিজ্ঞ।