প্রথমবারের মতো পিএসএলে সুযোগ পেয়েছিলেন শরিফুল। নিলাম থেকে দল না পেলেও পরবর্তীতে বদলি হিসেবে বাঁহাতি পেসারের সঙ্গে চুক্তি করে পেশোয়ার। পাকিস্তানের লিগে খেলার জন্য ১২ এপ্রিল পর্যন্ত অনাপত্তিপত্র পেয়েছিলেন তিনি। তবে ১৩ এপ্রিল পেশোয়ারের ম্যাচ থাকায় শরিফুল ও নাহিদের এনওসির মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ করে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
পেশোয়ারের অনুরোধ আমলে নিয়ে সেই ম্যাচটি খেলার অনুমতি দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দেশে ফিরে নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগও দিয়েছেন তিনি। তবে সুযোগ থাকলে আবারও পিএসএলে ফিরতে চান তিনি। বাঁহাতি এই পেসার বলেন, ‘যদি সম্ভব হয় আমি অবশ্যই আবারও আসব। আমাদের সাপোর্ট করতে থাকুন। আশা করছি আমরা শিরোপা জিতব ইনশাআল্লাহ।’
পিএসএলে নিজের প্রথম দুই ম্যাচে উইকেটশূন্য ছিলেন শরিফুল। পরের দুই ম্যাচে অবশ্য নিয়েছেন একটি করে উইকেট। সবমিলিয়ে পাঁচ ম্যাচে বাংলাদেশের পেসারের শিকার মাত্র দুইটি উইকেট। খুব বেশি উইকেট না পেলেও পেশোয়ারের পেস বোলিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। পিএসএলে খেলে নতুন কিছু শিখতে পেরেছেন বলে জানান শরিফুল।
বাঁহাতি এই পেসার বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, জালমি পরিবারের সঙ্গে দারুণ একটা সময় কেটেছে। সময়টা আমরা উপভোগ করেছি। সবাই দুর্দান্ত। কোচদের পাশাপাশি জালমির সংস্কৃতিও ভালো লেগেছে। আমরা নতুন কিছু শিখতে পেরেছি। অনুশীলন বলুন কিংবা ম্যাচ আমরা সবকিছুই উপভোগ করেছি।’
শরিফুলের তুলনায় বেশ ভালো পারফর্ম করেছেন নাহিদ। গত বছর পেশোয়ারের সঙ্গে থাকলেও পিএসএলে অভিষেক হয়েছে এবারই। হায়দরাবাদের বিপক্ষে অভিষেকটা ভালো না হলেও পরবর্তীতে আগুনে বোলিং করেছেন। করাচি কিংসের বিপক্ষে ৭ রানে ৩ উইকেট নিয়ে নিজের সামর্থ্যের ছাপ রেখেছেন। পরবর্তীতে লাহোর কালান্দার্স ও মুলতান সুলতান্সের সঙ্গে নিয়েছেন দুইটি করে উইকেট।
পেশোয়ারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ৪ ম্যাচে ৭ উইকেট নেওয়া নাহিদ বলেন, ‘দলটার সঙ্গে আমি দু’বছর ধরে আছি, এজন্য আবেগী একটা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। মুহূর্তগুলো আমরা বারবার মনে পড়বে। পাকিস্তানে জালমি ফ্র্যাঞ্চাইজির অনেক ক্রেজ। জালমির সমর্থকদের জন্য একটাই বার্তা দেব যেভাবে সাপোর্ট করছে তারা যেন সেভাবেই সাপোর্ট করে।’