ওপেনিং জুটিতে শাহিবজাদা ফারহান ও তানজিদ মিলে যোগ করেন ৩০ রান। এরপর দলীয় ৫০ এর আগেই ৩ উইকেট হারায় রাজশাহী। ২১ রান করে আউট হন ফারহান। ৮ রান করে ফিরে যান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শূন্য রানে আউট হয়েছেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিমও।
পরপর দুই বলে শান্ত ও মুশফিককে ফিরিয়ে চট্টগ্রামকে ছন্দ এনে দেন শেখ মেহেদী। এরপর আকবর আলীও ব্যর্থ হয়েছেন। তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৩ রান। তানজিদ একপ্রান্ত আগলে রেখে রাজশাহীর রানের চাকা সচল রাখেন। যদিও হাফ সেঞ্চুরির আগেই ফিরতে হয় তাকে।
এই ওপেনারের ব্যাট থেকে আসে ৩৭ বলে ৪১ রানের ইনিংস। শেষদিকে রান বাড়াতে পারেননি জিমি নিশামও। কিউই এই অলরাউন্ডারের মাত্র ৬ রান করেই আউট হয়েছেন। বার্ল আউট হন ৩ রান করে। শেষদিকে এসে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। তার ১৫ বলে ৩২ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে যায় রাজশাহী।
চট্টগ্রাম রয়্যালস— নাইম শেখ, মাহমুদুল হাসান জয়, আসিফ আলী, মির্জা তাহির বেগ, জাহিদুজ্জামান সাগর, শেখ মেহেদী, তানভির ইসলাম, শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, আমের জামাল এবং হাসান নাওয়াজ।
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স— তানজিদ হাসান তামিম, সাহিবজাদা ফারহান, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, জিমি নিশাম, আকবর আলী, রায়ান বার্ল, রিপন মণ্ডল আব্দুল গাফফার সাকলাইন, হাসান মুরাদ ও বিনুরা ফার্নান্দো।