আকবরের সেঞ্চুরির পর রিশাদের ঘূর্ণিতে জিতল নর্থ জোন

বিসিএল
আকবর আলী ও রিশাদ হোসেন
আকবর আলী ও রিশাদ হোসেন
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে বিসিএল ওয়ানডের উদ্বোধনী ম্যাচে দাপুটে জয় পেয়েছে নর্থ জোন। আকবর আলীর সেঞ্চুরি, নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান তামিমের হাফ সেঞ্চুরির বল হাতে রিশাদ হোসেনের চার উইকেটে ইস্ট জোনকে ৫৪ রানে হারিয়েছে নর্থ জোন। ব্যাট হাতে লড়াই করেও ইস্ট জোনকে জয় উপহার দিতে পারেননি মুমিনুল হক ও ইয়াসির আলী রাব্বিরা।

এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি নর্থ জোনের। মাত্র ২০ রানে ভেঙে যায় হাবিবুর রহমান সোহান ও তানজিদের ওপেনিং জুটি। ১৪ বলে ১৬ রান করে ফেরেন সোহান। এরপর তামিমকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস গড়েন শান্ত। দ্বিতীয় উইকেটে দুজন মিলে যোগ করেন ৮২ রান। দ্রুত রান তুলতে থাকা তামিম ৩৭ বলেই তুলে নেন ফিফটি। তবে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তিনি। ৮টি চার ও ৩ ছক্কায় ৪৪ বলে ৫৪ রান করে আউট হন এই বাঁহাতি ওপেনার।

লিটন দাসও বড় কিছু করতে পারেননি। ১০ রান করে খালেদ আহমদের বলে আউট হন তিনি। দ্রুতই ফিরে যান তাওহীদ হৃদয়ও। দলীয় ১১৮ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন শান্ত ও আকবর। এই জুটিতে আসে গুরুত্বপূর্ণ ১২০ রান। দুই ব্যাটারই তুলে নেন ফিফটি। শান্ত ৮৭ বলে ৪টি চার ও ১ ছক্কায় করেন ৬৮ রান। তার বিদায়ের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন আকবর। মাত্র ৮১ বলেই তুলে নেন সেঞ্চুরি।

শেষ পর্যন্ত ৮টি চার ও ৬ ছক্কায় ১১১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে থামেন আকবর। শেষ দিকে শরিফুল ইসলাম ১২ বলে ২০ এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন ১৭ রান করলে নর্থ জোনের ইনিংস থামে ৩৩৫ রানে। ইস্ট জোনের হয়ে খালেদ ১০ ওভারে ৫২ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। তবে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ২ উইকেট পেলেও খরচ করেন ৯৮ রান।

৩৩৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু পায়নি ইস্ট জোন। উদ্বোধনী জুটিতে আসে মাত্র ২১ রান। জাকির হাসান ১৮ বলে ৮ রান করে শরিফুল ইসলামের শিকার হন। এরপর পারভেজ হোসেন ইমন ও অমিত হাসান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন।দুজনের জুটিতে আসে ৪৩ রান। অমিত ২৮ বলে ৪টি চারে ২২ রান করে আউট হলে ভাঙে সেই জুটি। এরপর দ্রুতই বিদায় নেন ইমনও। ৩৮ বলে ৫টি চার ও ১ ছক্কায় ৩৫ রান করেন তিনি।

এরপর অধিনায়ক ইয়াসির আলী রাব্বি ও মুমিনুল হক লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেন। দুজন মিলে ৭১ রানের জুটি গড়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন। তবে ব্যক্তিগত ৪২ রানে ইয়াসিরকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন রিশাদ। এরপর একপ্রান্ত আগলে রেখে ৮২ বলে ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন মুমিনুল। আর শেষদিকে এসে নাইম হাসান ৪৩ বলে ৫০ রানে অপরাজিত থাকলেও তা কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।

নর্থ জোনের হয়ে রিশাদ ১০ ওভারে ৫৭ রান দিয়ে নেন ৪ উইকেট। বল হাতে তার এই পারফরম্যান্সই নর্থ জোনের বড় জয়ের ভিত্তি গড়ে দেয়। পাশাপাশি দুটি করে উইকেট নিয়েছেন নাহিদ রানা ও এসএম মেহরব হোসেন। আর একটি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

আরো পড়ুন: