সেই পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে বোলিং আক্রমণে। এদিকে ব্যাটার হিসেবে টেস্ট দলে ডাক পেয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। এই ব্যাটারকে দলে নেয়ার ব্যাখ্যায় প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছেন ঘরোয়া ক্রিকেটে তার লাল বলের পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে নির্বাচকদের। ২০২৪ সালের শ্রীলঙ্কা সিরিজে টেস্ট স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছিলেন তাওহীদ। যদিও সেবার খেলা হয়নি তার। এবার হয়তো অভিষেক হয়ে যেতে পারে লাল বলের ক্রিকেটে।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, 'তাওহীদ হৃদয় সাদা বলে নিয়মিত খেলেন। কিন্তু তাওহীদ হৃদয়কে আমরা আমরা যেই ধরনের ক্রিকেট খেলতে চাই, সম্প্রতি আমরা কিন্তু (সেভাবেই) ভিন্ন ধরনের খেলা খেলছি। আমার মনে হয় তিনি হতে পারেন একটা খুব ভালো বিকল্প। আমি তার প্রথম শ্রেণীর খেলা দেখেছি।'
বাশার আরও যোগ করেন, 'প্রথম শ্রেণীতেও কিন্তু তার রেকর্ড খারাপ না এবং তিনি যখন ব্যাটিং করেন, তখন কিন্তু ঐ জায়গাটা যখন যেখানে ব্যাটিং করেন খুব ইমপ্যাক্টফুল ইনিংস খেলতে পারেন। এটা হলো বাংলাদেশ ক্রিকেটের একটা ইতিবাচক দিক। তো আশা করি আমি আমি তার ব্যাপারে খুব আত্মবিশ্বাসী, তিনি লাল বলের সুযোগ পেলে ভালো করবেন।'
অফ স্পিনার নাঈম হাসানকে মাঠে নামার সুযোগ দেওয়ার ভাবনায় মিরাজকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রধান নির্বাচক। মূলত অফ স্পিনার নাইম একাদশে সুযোগ পান না মিরাজের কারণে। জিম্বাবুয়ে সিরিজ হবে নাইমের জন্য বড় পরীক্ষার মঞ্চ। প্রধান নির্বাচকও এই অফ স্পিনারকে আশাবাদী।
এ প্রসঙ্গে বাশার বলেন, 'এই টেস্টে আমাদের মেহেদী হাসান মিরাজ। যেহেতু আমাদের দলে একজন অফ স্পিনার আছেন নাইম হাসান। তিনি খেলার সুযোগ পান না। আমরা মিরাজের সঙ্গেও কথা বলেছি। তিনি এই সিরিজে বিশ্রাম নিতে চান। এই সুযোগে আমরা তাকে বিশ্রাম দিয়েছি এই সিরিজে।'