চন্ডিগড়ে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও নিয়মিত ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করেন সালিম। পিচে পেস বোলারদের জন্য খুব একটা সহায়তা না থাকলেও গতির ঝড় তুলেন তিনি। তুলে নেন ইয়াশভি জয়সাওয়াল, শুবমান গিল, সাই সুদর্শন ও ধ্রুব জুরেলের মত গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
আফগানিস্তান ইনিংস ও ৩৫০ রানের বড় ব্যবধানে হেরে গেলেও আফগানিস্তানের প্রধান কোচ রিচার্ড পাইবাসের মন জয় করেছেন এই তরুণ পেসার। মোহালিতে বুধবারের অনুশীলনেও তাকে বেশ ছন্দে দেখা যায়।
সালিমের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে পাইবাস বলেন, 'সে ছিল অসাধারণ। এমন গরমে উচ্চমানের ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে ছয় উইকেট নেওয়া শুধু একজন বোলারের জন্য নয়, পুরো দলের জন্যই দারুণ ইতিবাচক বার্তা।'
টেস্ট ম্যাচে সালিম প্রথম পরিবর্তিত বোলার হিসেবে আক্রমণে আসেন এবং নতুন বলও হাতে পাননি। এ প্রসঙ্গে পাইবাস বলেন, দলের সঙ্গে এটিই ছিল তার প্রথম দায়িত্ব, তাই খেলোয়াড়দের শক্তি ও সমন্বয় সম্পর্কে এখনও জানার পর্যায়ে রয়েছেন তিনি।
পাইবাস বলেন, 'এর আগে এই ক্রিকেটারদের সঙ্গে আমার কাজ করার সুযোগ হয়নি। তাই তাদের সেরা সমন্বয় কী হতে পারে, সেটাও শেখার অংশ। আমি জানি, অতীতে সালিম কিছু চোটের সমস্যায় ভুগেছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাকে নিয়মিত মাঠে রাখা এবং এমন পারফরম্যান্স ধরে রাখার সুযোগ দেওয়া।'
এদিকে দলের শেষ অনুশীলন সেশনে দেখা যায়নি দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবীকে। জানা গেছে, রশিদ সরাসরি ধর্মশালায় দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। অন্যদিকে নবী বর্তমানে দলের সঙ্গেই থাকলেও অসুস্থতার কারণে অনুশীলনে অংশ নিতে পারেননি।