আব্দুল সামাদ, মাআজ সাদাকাত, মুহাম্মদ গাজি ঘোরি, সাদ মাসুদ, সাহিবজাদা ফারহান ও শামিল হুসাইনদের মতো ক্রিকেটারদের নিয়ে বাংলাদেশে এসেছে পাকিস্তান। এই ছয় ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক ওয়ানডে অভিষেকের অপেক্ষায় থাকলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে তারা বেশ পরিণত।
এতেই আত্মবিশ্বাসী হেসন, 'এটি রোমাঞ্চকর একটি দল। আমাদের এখানে কিছু নতুন মুখ আছে যারা 'শাহীনস'-এ ভালো করেছে এবং পরবর্তী স্তরে সুযোগ পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। একটি দল হিসেবে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে পেরে আমরা আনন্দিত।'
শেষবারের বাংলাদেশ সফরে উইকেট নিয়ে বেশ অসন্তুষ্ট ছিলেন হেসন। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের উইকেটকে সরাসরি 'বাজে উইকেট' বলেছিলেন তিনি। এবার অবশ্য উইকেট নিয়ে বেশ ইতিবাচক মনোভাব হেসনের। শেষবারের বিপিএলের উইকেটেও নজর ছিল তার।
হেসন বলেন, 'অবশ্যই আগের চেয়ে অনেক ভালো পিচ এবং ঘাসও ভালো দেখাচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত এখানকার পিচ বেশ কিছুদিন ধরে খুব একটা ভালো ছিল না। তবে আমরা বিপিএলেও দেখেছি যে এখানকার পিচগুলো অনেক ভালো ছিল।'
'মনে হচ্ছে অনেক বেশি ঘাস আছে এবং ব্যাট ও বলের মধ্যে সত্যিকারের লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা আছে। আর আমার মনে হয় দুই দলই এতে উপকৃত হবে। দুই দলই ভালো ক্রিকেট উইকেটে খেলতে চায় এবং চ্যালেঞ্জ নিতে চায়। এই মুহূর্তে তেমনটাই মনে হচ্ছে।'
সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের চাইতে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছে টাইগাররা। বাংলাদেশকে তাই কিছুটা এগিয়ে রাখছেন হেসন। যদিও নিজ দলের সামর্থ্যের কথাও জানান দিয়েছেন তিনি।
হেসন বলেন, 'অবশ্যই আমরা পারি (বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হারাতে)। কিন্তু আমরা বাংলাদেশের কন্ডিশনে তাদের বিশেষ সম্মান করি। আবারও বলছি, এখানকার কন্ডিশন টি-টোয়েন্টি সিরিজের তুলনায় অনেক ভিন্ন হবে। আমার মনে হয় দুই দলই ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেশি ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলছে, তাই আমাদের এই দীর্ঘ ফরম্যাটের সাথে খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে।'
'আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো এখানকার পিচের সাথে দ্রুত মানিয়ে নেয়া। আমাদের সামনে যাই আসুক না কেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে বাংলাদেশের নিজেদের কন্ডিশনে তাদের চ্যালেঞ্জ করার মতো একটি দল আমাদের আছে।'