এ নিয়ে দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছেন গম্ভীর। এর আগে ২০০৭ সালে খেলোয়াড় হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেন তিনি। শিরোপা জয়ের পর চারজনকে কৃতিত্ব দেন এই কোচ।
গম্ভীর নাম নেন রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণ, অজিত আগারকার ও জয় শাহের। তিনি বলেন, 'এই ট্রফি আমি উৎসর্গ করতে চাই রাহুল ভাই আর লক্ষ্মণ ভাইকে। ভারতীয় ক্রিকেটকে এই জায়গায় নিয়ে আসার নেপথ্যে রাহুল ভাই কি না করেছে। পাশাপাশি লক্ষ্মণ ভাইও চুপচাপ নিজের দায়িত্ব সামলেছে। সিওএ আছে বলেই ভারতের ক্রিকেট এত উন্নত। অজিতের কথাও বলব। এত সমালোচনার পরেও ও নিজের কাজ করে গিয়েছে।'
'জয় ভাই আমাকে কোচের দায়িত্ব দিয়েছিল। এর আগে তো কোথাও কোচিং করাইনি। তার পরেও জয় ভাই ভরসা রেখেছিল। সেই ভরসা আজও আছে। নিউজ়িল্যান্ডের ও সাউথ আফ্রিকার কাছে হোয়াইট ওয়াশের পর একমাত্র জয় ভাই ফোন করেছে। আমাকে উৎসাহ দিয়েছে। তাই এই সাফল্যের কৃতিত্ব তার।'
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফাইনাল এবং সেমিফাইনালসহ মোট তিনবার আড়াইশ রানের মাইলফলক অতিক্রম করে ভারত। দলে আগ্রাসী ক্রিকেটের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। আর তাই ব্যক্তিগত মাইলফলক বাদ দিয়ে দলের জন্যই লড়াই করে প্রত্যেকেই।
তিনি বলেন, 'আমরা আর ১৬০ বা ১৭০ রান করার জন্য খেলি না। ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে। ঝুঁকি নিতে হবে। ঝুঁকি না নিলে সফল হওয়া যাবে না। তাতে ১০০ রানে অল আউটও হয়ে যেতে পারি। সাউথ আফ্রিকা ম্যাচে সেটাই হয়েছে। তাতে ভয়ের কিছু নেই। চেষ্টা করতে হবে ২০০-র বেশি রান করার। সেই চেষ্টাই আমরা করছি।'
'আগে দল। পরে নিজের সাফল্য। আপনি যদি ৯৬ রান থেকে ১০০ করতে চার বল খেলেন, তা হলে আপনি দলের ২০ রানের ক্ষতি করলেন। ওই চার বলে চারটে ছক্কা হতে পারত। তাই যদি কেউ ৯৬ রান থেকে ছক্কা মারতে গিয়ে আউট হয় তাতে আমার কোনও দুঃখ নেই। ওই ৯৬ আমার কাছে শতরানের সমান। এই দর্শন দলের সকলকে দিয়েছি। আমি ভাগ্যবান, দলের সকলে সেটা মেনেছে। আমরা সে ভাবেই খেলি। সকলেই দলকে আগে রাখে।'