বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পুরো দায় নিচ্ছেন সালমান-হেসন

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে পাকিস্তানের সামনে সেমিফাইনালের একটি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি পাকিস্তান। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে রোমাঞ্চকর জয় এলেও রান রেটের সমীকরণ মেলেনি। শেষ পর্যন্ত সুপার এইট থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে তাদের।

পাল্লেকেলেতে শনিবার ২০ ওভারে ২১২ রান তোলে পাকিস্তান। সাহিবজাদা ফারহান করেন ৬০ বলে ১০০, ফখর জামান ফিরেন ৪২ বলে ৮৪ রান করে। সেমিতে উঠতে হলে শ্রীলঙ্কাকে আটকে রাখতে হতো ১৪৭ রানে।

কিন্তু আটটি ছক্কায় ৩১ বলে ৭৬ রান করে ম্যাচ প্রায় বের করে নিচ্ছিলেন দাসুন শানাকা। শেষ দুই বলে শাহীন শাহ আফ্রিদি রান না দিলে পাঁচ রানের জয় পায় পাকিস্তান। তবু রান রেটে পিছিয়েই শেষ চার নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।

ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক সালমান আলী আঘা অকপটে স্বীকার করেন ব্যর্থতা, 'গোটা টুর্নামেন্টে ফিরে তাকালে এবং আমাকে যদি সারমর্ম বলতে হয়, অবশ্যই বলব আমরা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। আমাদের মিডল অর্ডার তো বলতে গেলে পারফর্মই করেনি। রানের জন্য সাহিবজাদার ওপর অতি নির্ভরতা ছিল আমাদের।'

এবারের বিশ্বকাপে ৩৮৩ রান করেছেন সাহিবজাদা, যা এক আসরে সর্বোচ্চ রানের নতুন রেকর্ড। একই আসরে দুটি সেঞ্চুরিও এসেছে তার ব্যাট থেকে। অথচ দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ১১৮, করেছেন শাদাব খান, তিনি মূলত বিশেষজ্ঞ ব্যাটার নন। ব্যাটিং ইউনিটের এই বৈপরীত্যই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ছয় ইনিংসে মাত্র ৬০ রান করেছেন সালমান নিজেও। নিজের পারফরম্যান্স নিয়েও দায় এড়াননি তিনি, 'শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে ভালো করেছি আমি। বিশ্বকাপে সেটা পারিনি। কেবল সাহিবজাদা ছাড়া গোটা ব্যাটিং ইউনিটই ব্যর্থ হয়েছে।'

একাদশ নির্বাচন ও ব্যাটিং অর্ডার নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। টানা ব্যর্থতার পরও বাবর আজমকে খেলানো, এক ম্যাচের পর বাইরে রাখা আবরার আহমেদকে, আর ফখরকে মিডল অর্ডারে নামানো, সব সিদ্ধান্তই অধিনায়ক ও কোচের যৌথ বলে জানান সালমান।

তিনি বলেন, 'অবশ্যই আমরা দায় নিচ্ছি। কন্ডিশন ও পরিস্থিতির প্রয়োজন অনুযায়ী একাদশ বাছাই করি। চাপের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা বাড়াতে হবে। আইসিসি ইভেন্টে প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ।'

আরো পড়ুন: