বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলাম গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে জানিয়েছেন বোর্ড এতে করে ক্ষতিগ্রস্থ হবে না। ক্ষতিগ্রস্থ হবেন ক্রিকেটাররা। বিশেষ করে ম্যাচ খেললে ক্রিকেটাররা যে ম্যাচ ফি পান বা পারফরম্যান্সের কারণে যে অর্থ পান সেটা থেকেই বঞ্চিত হবেন তারা।
এ প্রসঙ্গে নাজমুল বলেন, 'ওরা গিয়ে যদি কিছুই না করতে পারে তাহলে ওদের পিছে আমরা যে এত কোটি কোটি টাকা খরচ করতেছি আমরা কি ওদের কাছ থেকে ওই টাকা ফেরত চাচ্ছি নাকি? চাচ্ছি এই প্রশ্নের উত্তর দেন আমাকে।'
এরপর তিনি যোগ করেন, 'বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না, ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে। ক্রিকেটারদের ক্ষতি হবে তার কারণ হচ্ছে যে ক্রিকেটাররা খেললে প্রতিটা খেলায় তারা এক ধরনের ম্যাচ ফি পায়। তারা এক ধরনের খেলায় যদি কেউ পার্টিসিপেট করে, যদি ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয় অথবা কোনো ধরনের বিশেষ যদি তাদের কোনো পারফরম্যান্স থাকে, সেটার জন্য আইসিসি নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচের নিয়ম অনুযায়ী তারা যা পাওয়ার সেটা পাবে। ওটা হচ্ছে একদম প্লেয়ারের পাওনা।'
ক্রিকেটের সূচনালগ্ন থেকেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও দেশের সরকার বিভিন্ন খাতে মোটা অঙ্কের অর্থ খরচ করেছে। এর বিপরীতে ক্রিকেটাররা কোনো বৈশ্বিক শিরোপা এনে দিতে পারেননি বলে প্রশ্ন তুলেছেন নাজমুল। ক্রিকেটারদের এমন পারফরম্যান্সের দায় কখনই তাদের ওপর চাপানো হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন নাজমুল।
তিনি বলেন, 'এই মানে প্রশ্নটা (ক্ষতিপূরণের) তুলতেই পারবে না। কারণ হচ্ছে আমরা যে ওদের পেছনে এত খরচ করছি, বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ওরা কিছুই করতে পারছে না, আজ পর্যন্ত আমরা একটা বৈশ্বিক শিরোপা আনতে পেরেছি? কোনো একটা জায়গায় আমরা কতটুকু কী করতে পেরেছি? আমরা তাহলে তো প্রতিবারই আমরা বলতে পারি যে তোমরা খেলতে পারো নাই তোমাদের পেছনে যা খরচ করছি এটার দায়ভার এবার তোমাদের কাছ থেকে আমরা নিবো। ফেরত দাও।'
বাংলাদেশ এখনও আগের অবস্থানেই রয়েছে বলে জানিয়েছেন নাজমুল। বাংলাদেশ বিশ্বকাপে না খেলার চিন্তা করছে না জানিয়ে তিনি বলেন, 'আমি কখনো বলিনি আমরা বিশ্বকাপ খেলব না। আমি মানে কী আমাদের বোর্ড কখনো বলেনি, আমাদের দেশ কখনো বলেনি আমরা বিশ্বকাপ খেলব না। আমরা বিশ্বকাপ খেলার জন্য মুখিয়ে আছি। আমাদের শুধুমাত্র খেলার পরিবেশটা তৈরি করে দিতে হবে।'