ভারতের বিপক্ষে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিলেন শিমরন হেটমায়ার। ১১ বলে ২৭ রান করে বিধ্বংসী হয়ে ওঠা হেটমায়ারকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়ে আউট করেন জাসপ্রিত বুমরাহ। যদিও আউটটি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। হেটমায়ার তখন আউট না হলে ভারত সেমিফাইনালে উঠতে পারতো না বলেও দাবি আমিরের।
রস্টন চেজ আর শাই হোপের উদ্বোধনী জুটির ওপর ভর করে দারুণ সূচনা পেয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তিন নম্বরে নামা হেটমায়ার ব্যাটিংয়ে নেমেই তান্ডব শুরু করেন ভারতীয় বোলারদের ওপর। চোখ রাঙাচ্ছিলেন প্রতিপক্ষকে। কিন্তু বুমরাহ আক্রমণে আসতেই খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেন হেটমায়ারকে আউট করে।
আক্রমণে ফিরে ওভারের ৩য় বলেই হেটমায়ারকে উইকেটের পেছনে সাঞ্জু স্যামসনের ক্যাচে পরিণত করেন বুমরাহ। সেই ওভারেই ২৫ বলে ৪০ রান করা চেজকেও ফিরিয়ে দিয়ে ভারতকে ম্যাচে ফেরান এই পেসার। তাই হেটমায়ারের উইকেটটিকেই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট মানছেন অনেকে।
আউট হবার পরেও আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছিলেন না হেটমায়ার। আম্পায়ার আউট ঘোষণার পর রিভিউ নিয়ে তৃতীয় আম্পায়ারের সরনাপন্ন হয়েছিলেন তিনি। আল্ট্রাএজ প্রযুক্তিতে পরিষ্কার স্পাইক দেখা গেলে তৃতীয় আম্পায়ারও আউট ঘোষণা করেন তাকে। কিন্তু তখনো অসন্তুষ্ট মনে হচ্ছিলো হেটমায়ারকে।
ডাগআউট থেকে মাথা নাড়তে দেখা যায় কোচ ড্যারেন স্যামিকেও। আমিরও সেই উইকেটকেই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট মনে করেন। আমিরের মতে হেটমায়ার আউট ছিলেন না। তার দাবি, যদি আরো কিছু ওভার হেটমায়ার খেলতে পারতেন তবে ভারত সেই ম্যাচ হেরে যেত।
পাকিস্তানের একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে আমির জানান, তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন এটি আউট ছিল না। আমির বলেন, 'আমি মনে করি হেটমায়ারের আউটটি বিতর্কিত। আমি মনে করি না সে আউট ছিলো। সে যদি আর কিছু ডেলিভারি খেলতে পারতো তাহলে তাদের স্কোর ২২০-২৩০ হতে পারতো। আর ভারতও টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতো।'
ভারতকে নিয়ে করা আগের মন্তব্য ভুল প্রমাণিত হলেও এখনো নিজের আগের অবস্থানেই আছেন আমির। আমিরের মনে করেন, এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ওপর ভর করে ভারত সেমিফাইনালে উঠলেও শিরোপা জেতার জন্য এখনো ভারত ফেভারিট নয়।