ফিল্ডিং আপ টু দ্য মার্ক ছিল না, স্বীকার করলেন গিল

আইপএল
বিসিসিআই
বিসিসিআই
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
জেসন হোল্ডারের বলে মিড অফে ঠেলে দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে এক রান নিতে চেয়েছিলেন বিরাট কোহলি। যদিও এক রানের জন্য দৌড়ে গুজরাট টাইটান্সের ফিল্ডারের ওভার থ্রোতে ৫ রান পেয়েছিলেন ডানহাতি এই ব্যাটার। কখনো চার ছেড়েছেন আবার ছেড়েছেন ক্যাচও। ম্যাচ শেষে ফিল্ডিং নিয়ে আক্ষেপ করলেন শুভমান গিলও। গুজরাটের অধিনায়ক স্বীকার করলেন, গ্রাউন্ড ফিল্ডিংয়ে আপ ‍টু দ্য মার্ক ছিলেন না তারা।

ফিল্ডিংয়ে সবচেয়ে বেশি খেসারত দিতে হয়েছে রজত পাতিদারের ক্যাচ ছেড়ে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর অধিনায়কের বিপক্ষে দুইটি সুযোগ তৈরি করেছিলেন প্রসিধ কৃষ্ণা। ইনিংসের ১৪তম ওভারে ডানহাতি পেসারের বলে লিডিং এজ হয়ে উইকেটকিপার ও ডিপ থার্ডম্যানে থাকা ফিল্ডারের মাঝে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন। তবে দুজনের কেউই সেটা লুফে নিতে পারেননি।

একই ওভারে ডিপ স্কয়ার লেগে কাগিসো রাবাদার হাতে ক্যাচ দিয়েছিলেন রজত। সাউথ আফ্রিকার পেসার সেটা লুফে নিতে পারেননি। ওই সময় ২০ বলে ২৬ রান নিয়ে ব্যাটিং করছিলেন বেঙ্গালুরু অধিনায়ক। রজত শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ৯৩ রানের ইনিংস খেলে দলকে ফাইনালে তুলেছেন। সবমিলিয়ে ম্যাচে তিনটি ক্যাচ ও একটি রান আউটের সুযোগ মিস করেছে গুজরাট।

ম্যাচ শেষে ফিল্ডিং নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে গিল বলেন, ‘আমার মনে হয় ১২ কিংবা ১৩ ওভার পর্যন্ত আমরা ঠিকঠাকই ছিলাম। এবং আমার মনে হয় না আমাদের ফিল্ডিং আমাদের মানের কাছাকাছি ছিল। কয়েকটা ক্যাচ ছেড়েছি এবং আমাদের গ্রাউন্ড ফিল্ডিংও আপ টু দ্য মার্ক ছিল না।’

রান তাড়ায় ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি গুজরাটের। ধর্মশালায় ২৫৫রান তাড়ায় পাওয়ার প্লেতে ৫১ রানে ৫ উইকেট হারায় গুজরাট। একটা সময় ৮৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়েছিল তারা। শেষ বেলায় রাহুল তেওয়াতিয়ার হাফ সেঞ্চুরি তাদের দেড়শ পার করেছে। গিল মনে করেন, চাপের মুখে তারা সুবিধা করতে পারেননি তারা।

এ প্রসঙ্গে গিল বলেন, ‘চাপের মুখে আমরা আপ টু দ্য মার্ক ছিলাম না। এরকম মাঠে আপনি যদি পাওয়ার প্লেতে ভালো করতে পারেন তাহলে যখন তখন বল মাঠের বাইরে পাঠাতে পারবেন। আপনি শুরুটা ভালো করতে পারলে এই উইকেটে যেকোন লক্ষ্যই তাড়া করতে পারবেন। আমার মনে হয় এটা তাড়া করা যেতো।’

আরো পড়ুন: