২১০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ ওভারে এসে জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল দিল্লি। হাতে ছিল তিন উইকেট, আর জিততে দরকার ছিল দুই বলে দুই রান। কিন্তু শেষ ওভারের পঞ্চম বলে সহজেই এক রান নেয়ার সুযোগ থাকলেও তা নেননি মিলার, বরং অপর প্রান্তে থাকা কুলদীপ যাদবকে ফিরিয়ে দেন।
শেষ বলে বাউন্ডারি মারার লক্ষ্যেই খেলতে যান মিলার। কিন্তু বল ব্যাটে লাগাতে পারেননি তিনি। উল্টো রান নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে রানআউট হন। ফলে তার ২০ বলে ৪১ রানের দারুণ ইনিংসটিও দলের কাজে আসেনি।
ম্যাচ শেষে গুজরাট অধিনায়ক শুভমান গিল বলেন, 'আমরা তখনও মনে করছিলাম, আমাদের জয়ের সুযোগ আছে। শেষ বল ইয়র্কার না ধীরগতির বল- এ নিয়ে আলোচনাও করেছি। উইকেট দেখে মনে হয়েছে ধীরগতির বলেই রান করা কঠিন হবে।'
ভারতের সাবেক ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার মনে করেন, মিলার নিজের ওপর ভরসা রেখেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, 'সে নিজেই জয়ের রানটি নিতে চেয়েছিল। তবে কুলদীপ যেভাবে আগের বলে রান নিয়েছিল, তাতে তাকে সুযোগ দেওয়া যেত।'
গাভাস্কার আরও বলেন, 'ম্যাচ শেষে অনেক কিছু বলা যায়, কিন্তু তখন মিলারের বিশ্বাস ছিল সে নিজেই দলকে জেতাতে পারবে। তাই তাকে পুরোপুরি দোষ দেয়া ঠিক নয়। নিজের সামর্থ্যের ওপর তার আস্থা ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি সফল হয়নি।'
ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার কেভিন পিটারসেনের ব্যাখ্যাও কিছুটা ভিন্ন। তার মতে, 'মিলার হয়তো ভেবেছিল, এক রান নেয়াটাই ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই শেষ বল নিজেই খেলার সিদ্ধান্ত নেয়। তার বিশ্বাস ছিল, অন্তত এক রান সে নিতেই পারবে, আর সুযোগ পেলে বড় শটও খেলতে পারবে।'