২০২৪ সালের শেষদিকে নেতৃত্ব পাওয়ার পর অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতিয়েছিলেন রিজওয়ান। তবে চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশ সফরে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ওই সিরিজে তিন ম্যাচে তিনি করেন মোট ৫৪ রান, গড় ছিল ১৯.৩৩।
রিজওয়ানের জায়গায় নির্বাচকরা মুহাম্মদ গাজী ঘোরিকে দলে রেখেছেন। পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে বিকল্প উইকেটকিপার হিসেবে রাখা হয়েছে রোহাইল নাজিরকে।
সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের ওয়ানডে দলে রিজওয়ানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, সাদা বলের ক্রিকেটে নতুন দিকেই এগোতে চান হেসন। এর অংশ হিসেবে গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারের পর ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকেও সরানো হয়েছিল রিজওয়ানকে।
হেসন বলেন, 'বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে আমরা কয়েকজন নতুন খেলোয়াড়কে সুযোগ দিতে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছিলাম। তখনও মোহাম্মদ রিজওয়ান দলে ছিল। আর এই সিরিজে এসে আমরা আরও কিছু পরিবর্তন করেছি। আগামী আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বিভিন্ন কম্বিনেশন পরীক্ষা করে দেখতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট।'
তিনি আরও বলেন, 'বিশ্বকাপের আর মাত্র ১৮ মাস বাকি। তাই দলীয় পরিকল্পনার দিক থেকে আমাদের হাতে কী কী বিকল্প আছে, সেটা দেখা জরুরি। নির্বাচক প্যানেল সেই ভাবনা থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।'
রিজওয়ানকে অধিনায়কত্ব থেকে সরানোর বিষয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন হেসন। তার মতে, ওয়ানডে ক্রিকেটে পাকিস্তানের ধারাবাহিক খারাপ ফলই নেতৃত্ব পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।
হেসন বলেন, 'আমি দায়িত্ব নেওয়ার আগেই রিজওয়ান টি–টোয়েন্টি দলে ছিল না, অধিনায়কও ছিল না। আমি আসার পর থেকে সে টি–টোয়েন্টি খেলেনি। ওয়ানডেতে অবশ্য রিজওয়ান ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে অধিনায়ক ছিল। কিন্তু ওই সিরিজ শেষে আমরা মনে করেছি পরিবর্তন দরকার। কারণ ১২ মাসে দল মাত্র দুটি ম্যাচ জিতেছিল। অর্থাৎ দল প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেনি।'
এ প্রসঙ্গে হেসন যোগ করেন, 'দুটি বিষয় দেখতে হয় , একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত পরিসংখ্যান এবং দলকে কীভাবে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্সে নেওয়া যায়। সেই বিবেচনা থেকেই আমরা অধিনায়কত্বে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।'