চলতি আইপিএল মৌসুমে ১৩ ইনিংসে ২৭০ রান করেছেন সূর্যকুমার, গড় মাত্র ২০.৭৬। শেষ ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে একটি হাফ সেঞ্চুরি পেলেও পুরো মৌসুমে তিনি ধারাবাহিক হতে পারেননি। গত দুই বছর ধরেই তার টি-টোয়েন্টি ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবুও অধিনায়ক হিসেবে তিনি ভারতের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
সম্প্রতি একটি কলামে এমএসকে প্রসাদ বলেন, 'আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ম্যাচ শুধুমাত্র টেকনিক দিয়ে জেতা যায় না—এটি জেতা যায় মানসিকতা, উদ্ভাবন, ভয়হীনতা এবং কয়েক ওভারের মধ্যেই ম্যাচ বদলে দেয়ার ক্ষমতা দিয়ে। এ কারণেই সূর্যকুমার যাদব ভারতের টি-টোয়েন্টি সেট আপের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে রয়ে গেছে। ফর্ম বা ধারাবাহিকতা নিয়ে আলোচনা উঠলেও, সূর্যকুমারের মতো একজন খেলোয়াড়কে ভারতের টি-টোয়েন্টি দল থেকে বাদ দেয়া হবে একটি বড় ভুল।'
তিনি আরও বলেন, 'তিনি এখনো ভারতের সবচেয়ে অনন্য টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যান। বিশ্ব ক্রিকেটে খুব কম ব্যাটসম্যানই আছেন যারা সূর্যকুমার যাদবের মতো স্বাভাবিকভাবে ৩৬০ ডিগ্রি ক্রিকেট খেলতে পারে। মাঠের যেকোনো জায়গাগুলো ব্যবহার করার ক্ষমতা তাকে সেট হয়ে গেলে বোলিং করা প্রায় অসম্ভব করে তোলে।'
প্রসাদ মনে করেন, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চক্রে সূর্যকুমারের অধীনে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্ব গড়ে তোলা উচিত। সূর্যকুমারকে অধিনায়ক রেখেই ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে শুভমান গিল, সাঞ্জু স্যামসন, তিলক ভার্মা ও ইশান কিশানকে। এমনটাই আহ্বান জানিয়েছেন প্রসাদ।
তিনি যোগ করেন, 'আমি মনে করি, নির্বাচক ও টিম ম্যানেজমেন্টকে এখন সূর্যকুমারের নেতৃত্বের অধীনে পরবর্তী প্রজন্মের টি-টোয়েন্টি নেতাদের গড়ে তোলা শুরু করা উচিত। শুবমান গিল, সঞ্জু স্যামসন, তিলক ভার্মা এবং ইশান কিষাণের মতো খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে তৈরি করা যেতে পারে।'
ফর্মহীনতার পাশাপাশি তার সূর্যকুমারের কব্জির চোট নিয়েও গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। তবে রাজস্থান রয়্যালসের বিপক্ষে ম্যাচের আগে এসব দাবি উড়িয়ে দেন সূর্যকুমার। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তিনি ফিট আছেন। অনুশীলন করতেও তার কোনো সমস্যা হচ্ছে না।