৩০ বছর বয়সি স্পেন্সার এখনো পর্যন্ত গুজরাট টাইটান্স ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএল খেলেছেন। ২০২৪ সালে ৫০ লাখ রুপি ভিত্তিমূল্যের বাঁহাতি পেসারকে ১০ কোটি রুপিতে কিনে নেয় গুজরাট। যদিও সেই মৌসুমে ৫ ম্যাচে ৪ উইকেটের বেশি নিতে পারেননি। পরের আসরে ২ কোটি ৮০ লাখ রুপিতে অস্ট্রেলিয়ান পেসারকে দলে নেয় কলকাতা। ৪ ম্যাচে নিয়েছিলেন মাত্র একটি উইকেট।
গত ডিসেম্বরে আইপিএলের নিলামে অবশ্য অবিক্রিত ছিলেন স্পেন্সার। পরবর্তীতে তার সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করে পিএসএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি কোয়েটা। তবে এলিসের পুরনো হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে আইপিএলে কপাল খুলেছে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৫ ওয়ানডে এবং ৮ টি-টোয়েন্টি খেলা পেসারের। নিলামের আগে ২ কোটি রুপিতে এলিসকে রিটেইন করেছিল চেন্নাই। যদিও গত আসরে তাদের হয়ে একটি মাত্র ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি।
স্পেন্সারের পাশাপাশি চেন্নাইয়ের পেস বোলিং বিভাগে আছেন ম্যাট হেনরি, জেমি ওভারটন এবং জ্যাক ফকস। দেশিদের মধ্যে খলিল আহমেদের সঙ্গে আছেন আনশুল কাম্বোজ, গুরজাপনীত সিং এবং মুকেশ চৌধুরি। পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে আছেন শিভাম দুবে ও আমান খান। এদিকে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের ক্যারিয়ার বাঁচাতে আইপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বেন ডাকেট।
নিলাম থেকে ২ কোটি রুপিতে বাঁহাতি ওপেনারকে কিনে নিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর ৩-৪ দিন আগে ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অ্যাশেজে ভালো করতে না পারায় ইংল্যান্ড ক্যারিয়ার নিয়ে আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন ডাকেট। যদিও এমন সিদ্ধান্তের কারণে আইপিএলে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন ইংলিশ এই ওপেনার।