আইসিসির পূর্ণ সদস্যপদ পাওয়ার অন্যতম একটি শর্ত হচ্ছে ছেলেদের মতো নারী ক্রিকেট দলও থাকতে হবে। ২০১৭ সালে টেস্ট পর্যাদা পাওয়া আফগানিস্তান সেই পথেই হাঁটছিল। ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো ২৫ নারী ক্রিকেটারকে কেন্দ্রীয় চুক্তির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। যদিও এসব কিছুই ভেস্তে গেছে দেশের সরকার পরিবর্তনে।
তালেবানরা ক্ষমতায় আসার পর মেয়েদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়, ক্রিকেট খেলাও নিষিদ্ধ করা হয়। আফগান নারী ক্রিকেটাররা একটা সময় শরণার্থী দল হিসেবে খেলার আবদার করেছিলেন। যদিও সেটা শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠেনি। আফগানিস্তানের সরকার মেয়েদের ক্রিকেট বন্ধ করে দেওয়ার পর তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে না অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপেও আফগানিস্তানের সঙ্গে খেলবে না ইংলিশরা, এমন আলাপ উঠলেও সেটা হয়নি। বরং বিশ্বকাপে রশিদ খান, মোহাম্মদ নবিদের সঙ্গে খেলেছেন জস বাটলাররা। এমন পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানকে আতিথেয়তা দেবে কিনা সেটা নিয়ে বোর্ড সভায় বসে আয়ারল্যান্ড। ৯০ মিনিটের সভা শেষে তাদের সঙ্গে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
‘নৈতিক অস্বস্তি’ থাকার পরও রশিদদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে রাজি হয়েছে আইরিশরা। যদিও সিরিজটি খেলতে ক্রিকেটারদের জোর করবে না দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। কোনো ক্রিকেটার যদি সিরিজটি খেলতে রাজি না হয় তাহলে তাদের সিদ্ধান্তকে বোর্ড সম্মান জানাবে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ওয়েস্ট বলেন, ‘আমার মনে হয় (সম্মান করা উচিত)।’
‘মতামত জানার জন্য আমরা পুরুষ ও নারী দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। স্বাভাবিকভাবেই কিছু উদ্বেগের বিষয় রয়েছে। কিন্তু আমরা বোর্ডে একই জিনিস নিয়ে আলোচনা করেছি এবং সম্ভাব্য সব বিষয় বিবেচনা করেছি। তখন (আমাদের মধ্যে) একটা বোঝাপড়া হয়েছে।’
আগামী গ্রীষ্মে ঘরের মাঠে মাত্র ৮টি ম্যাচ খেলবে আয়ারল্যান্ডের পুরুষ ক্রিকেটাররা। যেখানে নিউজিল্যান্ড, ভারত ও আফগানিস্তানকে আতিথেয়তা দেবে দেশটির ক্রিকেট বোর্ড। লজিস্টিক ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার জন্য বাংলাদেশ সিরিজ বাতিল করেছে আয়ারল্যান্ড। ওই সিরিজে বাংলাদেশের সঙ্গে তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলার কথা ছিল তাদের।