জিএসএলে অংশ নিতে পেরে রোমাঞ্চিত পার্থ স্কর্চার্স

গ্লোবাল সুপার লিগ
পার্থ স্কর্চার্স
পার্থ স্কর্চার্স
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
গ্লোবাল সুপার লিগের (জিএসএল) এবারের আসর শুরু হচ্ছে ২৩ জুলাই থেকে। ফাইনাল হবে ১ আগস্ট। এখনও অংশগ্রহণকারী দলগুলোর তালিকা চূড়ান্ত করেনি আয়োজকরা। তারা ধীরে ধীরে বিভিন্ন দলের নাম ঘোষণা করছে। এবার জানা গেছে জিএসএলে অংশ নিতে যাচ্ছে বিগ ব্যাশের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দল পার্থ স্কর্চার্স। তারা জিএসএলে অংশ নেবে পার্থ স্কর্চার্স একাদশ নামে।

এ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পাঁচটি শক্তিশালী দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। শিরোপার পাশাপাশি বিজয়ী দল পাবে ১০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থ পুরস্কার, যা প্রায় ১৪ লাখ ১০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলারের সমান।জিএসএলের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে, যা গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের ঘরের মাঠ।

১০ দিনের এই টুর্নামেন্টের সব ম্যাচই হবে এখানেই। বিগ ব্যাশ লিগের তৃতীয় আসরের শিরোপাজয়ী অধিনায়ক এবং পার্থ স্কর্চার্সের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সাইমন ক্যাটিচ এই টুর্নামেন্টে অন্তর্বর্তী প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন। নিয়মিত প্রধান কোচ অ্যাডাম ভোগস দ্য হান্ড্রেডের দল ট্রেন্ট রকেটসের সঙ্গে ব্যস্ত থাকায় তিনি এই দায়িত্ব নিতে পারছেন না। ২০২৫ সালের দ্বিতীয় আসরে একমাত্র অস্ট্রেলিয়ান দল হিসেবে খেলেছিল হোবাট হারিকেন্স।

জিএসএলের গত আসরের শিরোপা জিতেছিল গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স। এর আগে ২০২৪ সালে টুর্নামেন্টটির উদ্বোধনী আসরে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি রংপুর রাইডার্স। এদিকে জিএসএলে অংশ নিতে পেরে দারুণ আনন্দিত পার্থ ও ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া।

ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জন স্টিফেনসন বলেন, 'জিএসএলের তৃতীয় আসরে অংশ নিতে পেরে আমরা ভীষণ রোমাঞ্চিত। পার্থ স্কর্চার্স ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার স্বতন্ত্র পরিচয় বহন করে, আর জিএসএল আমাদের সেই পরিচয়কে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার দারুণ সুযোগ দিচ্ছে। শুরুর পর থেকেই টুর্নামেন্টটি ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে উঠছে। বিশ্বমঞ্চে আমাদের দল কেমন করে, তা দেখার জন্য আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।'

পার্থ স্কর্চার্সের জেনারেল ম্যানেজার, হাই পারফরম্যান্স ক্রিকেট ও এলিট টিমস, কেড হার্ভে মনে করেন এই টুর্নামেন্ট দলের খেলোয়াড়দের বড় অভিজ্ঞতা যোগ করবে। তিনি বলেন, 'জিএসএল আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য দারুণ একটি সুযোগ। বিদেশের কন্ডিশনে বিশ্বের সেরা কিছু টি-টোয়েন্টি দলের বিপক্ষে নিজেদের পরীক্ষা করার সুযোগ পাবে তারা। এই ধরনের টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া গ্রীষ্মকালীন মৌসুমের জন্যও তাদের প্রস্তুত হতে সাহায্য করবে, যেখানে আমাদের বিগ ব্যাশ লিগ শিরোপা রক্ষার লড়াইও রয়েছে।'

আরো পড়ুন: