এমিরেটসকে শিরোপা জেতাতে পারলেন না সাকিব, চ্যাম্পিয়ন ভাইপার্স

আইএল টি-টোয়েন্টি
সাকিব আল হাসান, ফাইল ফটো
সাকিব আল হাসান, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ম্যাচের প্রথম ওভারে ১০ রান দেয়ার পর আর বোলিংয়ে ফেরা হয়নি সাকিব আল হাসানের। ব্যাট হাতে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে ত্রিশ ছুঁলেও এবার দলকে জেতাতে পারেননি তিনি। ব্যাটিং ধসে লক্ষ্যেই পৌঁছাতে পারেনি এমআই এমিরেটস। সুযোগ কাজে লাগিয়ে আইএল টি–টোয়েন্টির চতুর্থ আসরের শিরোপা জিতে নেয় ডেজার্ট ভাইপার্স।

রবিবার রাতে দুবাইয়ে ফাইনালে আগে ব্যাট করে ১৮২ রান তোলে ভাইপার্স। জবাবে ১৩৬ রানেই গুটিয়ে যায় এমিরেটস। ৪৬ রানের এই জয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগটিতে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয় ভাইপার্স।

রান তাড়ায় শেষ দিকে দ্রুত ভেঙে পড়ে এমিরেটসের ইনিংস। মাত্র ২২ রানের ব্যবধানে হারায় শেষ ছয় উইকেট। তিন নম্বরে নেমে সাকিব তিনটি চারে ২৭ বলে ৩৬ রান করলেও সেটিই থেকে যায় দলের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।

এই জয়ে আইএল টি–টোয়েন্টির চার আসরে চ্যাম্পিয়ন হলো চারটি ভিন্ন দল। এর আগে দুইবার ফাইনালে হেরে শিরোপার খুব কাছে গিয়েও ব্যর্থ হয়েছিল ভাইপার্স। এবার পুরো টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক থেকে শিরোপা জিতল দলটি।

পুরো আসরজুড়েই সবচেয়ে ছন্দে ছিল ভাইপার্স। লিগ পর্বে ১০ ম্যাচের আটটিতে জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থেকে প্রথম কোয়ালিফায়ারে এমিরেটসকে হারিয়েই তারা ফাইনালে ওঠে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচেও একই প্রতিপক্ষকে হারিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে।

ফাইনালে অপরাজিত ৭৪ রান করে ম্যাচসেরা হন অধিনায়ক স্যাম কারান। আটটি চার ও দুটি ছক্কার ইনিংসের পাশাপাশি পুরো টুর্নামেন্টেও ছিলেন সবচেয়ে প্রভাবশালী। ১২ ম্যাচে ৩৯৭ রান ও ৭ উইকেট নিয়ে তিনিই হন আসরের সেরা ক্রিকেটার।

আইএল টি–টোয়েন্টিতে প্রথমবার খেলা সাকিবের জন্য আসরটি ছিল ওঠানামার। আট ম্যাচে ব্যাট হাতে ১১৫ রান ও বল হাতে তিনটি উইকেট নেন তিনি। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স থাকলেও ফাইনালে শেষ হাসি হাসতে পারলেন না বাংলাদেশের অলরাউন্ডার।

আরো পড়ুন: