১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং করতে থাকে ঢাকা। পাওয়ার প্লে'তে দলটি তোলে বিনা উইকেটে ৫৩ রান। ঝড়ো ব্যাটিংয়ের পর কাইল মেয়ার্সের করা সপ্তম ওভারেই ফিরে যান রহমানউল্লাহ গুরবাজ। ২২ বলে ৩১ রান করে ফিরে যেতে হয় তাকে।
অষ্টম ওভারে আব্দুল্লাহ আল মামুনও ফিরে যান। ১৮ বলে ২০ রান করা এই ব্যাটারকে ফেরান খুশদিল শাহ। ৫৮ রানের মধ্যে দুই উইকেট হারায় ঢাকা। ১৩.২ ওভারে দলীয় শতকের দেখা পায় ঢাকা। মোহাম্মদ মিঠুন এবং সাইফ হাসানের ব্যাটে ভালোভাবেই এগিয়ে যেতে থাকে দলটি। এই দুজনের ৫৩ রানের জুটি ভাঙেন আলিস আল ইসলাম।
৩২ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থাকেন মিঠুন। শামীম পাটোয়ারী ১০ বলে ১১ রান করে ফিরলে বিপাকে পড়ে ঢাকা। সাব্বির রহমান শেষ পর্যন্ত থেকে আট বলে ১২ রান করেন।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। পাওয়ার প্লে'তেই ৩ উইকেট হারায় দলটি। ছয় ওভারে তিন উইকেটে ৩১ রান করেছে রংপুর। ৩০ রানে তিন উইকেট হারানো রংপুরকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং ডেভিড মালান। ১০.১ ওভারে দলীয় পঞ্চাশ রানের দেখা পায় রংপুর।
১৪.১ ওভারে দলীয় শতক পার করে রংপুর। এর একটু পরই ফিরে যান ডেভিড মালান। ৩৩ বলে ৩৩ রান করা এই ব্যাটারকে ফেরান ইমাদ ওয়াসিম। ওয়াসিমের ফুলার লেংথের বল লং অন সীমানা পার করতে গিয়ে ধরা পড়েন মালান। মালান ফেরার পর খুশদিল শাহকে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন মাহমুদউল্লাহ। দেখতে দেখতে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনিও। ৪০ বলে হাফ সেঞ্চুরি আসে তার। এটি ছিল বিপিএলে তার ১৫তম হাফ সেঞ্চুরি।
তাসকিন আহমেদের ওভারে হাফ সেঞ্চুরি পাওয়ার পরই অবশ্য ফিরে যান মাহমুদউল্লাহ। ৪১ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। দলীয় ১২৮ রানে মাহমুদউল্লাহ ফেরার পর সেভাবে সুবিধা করতে পারেননি খুশদিল। তবে শেষ ওভারে একটি করে চার ছক্কা হাঁকিয়ে দলকে ১৫৫ রানের পুঁজি এনে দেন এই ফিনিশার। ২১ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।