এক যুগ পর সেই স্মৃতিতে ফিরে গিয়েও আশিকের মনে হয়, মানুষ হিসেবে মুস্তাফিজ খুব একটা বদলাননি। নেটে বোলিং থেকে জাতীয় দলে সুযোগ, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সাফল্য কিংবা বিশ্বজুড়ে পরিচিতি, কিছুই তার স্বভাবকে প্রভাবিত করেনি বলে মনে করেন তিনি।
সিলেটে সংবাদ সম্মেলনে আশিক বলেন, 'মুস্তাফিজ এমন একজন মানুষ, যে কোনো কিছু নিয়েই খুব বেশি চিন্তা করে না। সে স্বাভাবিকভাবেই সবকিছু নেয় এবং বর্তমানে থাকার চেষ্টা করে। মানসিকভাবে সে ফ্রি থাকে এবং যেখানে খেলে, শতভাগ দেয়ার চেষ্টা করে।'
মুস্তাফিজকে নিয়ে গত দুই দিনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে আইপিএলের ঘটনা। বিসিসিআইয়ের নির্দেশে নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে ভেড়ানো কলকাতা নাইট রাইডার্স তাকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর বিসিবিও জানায়, নিরাপত্তাজনিত কারণে ফেব্রুয়ারিতে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে না বাংলাদেশ।
তবে এসব বিষয় মুস্তাফিজের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলেনি বলে মনে করেন রংপুর রাইডার্সের অধিনায়ক নুরুল হাসান। তিনি বলেন, 'মুস্তাফিজ বিন্দাস আছে। কিন্তু একই সঙ্গে আমার কাছে মনে হয় যে খারাপ লাগা তো থাকতেই পারে। কারণ, ও যেটা ডিজার্ভ করে...আমার কাছে মনে হয় যে এর আগে আরও বেশি ডিজার্ভ করত। ওই জায়গা থেকে থাকতে পারে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয় যে ইটস ফাইন (ঠিক আছে)।’
তার প্রমাণ মিলেছে বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ম্যাচেও। শেষ তিন ওভারে ঢাকার প্রয়োজন ছিল ২৫ রান। সেখানে ১৮ ও ২০তম ওভার করে মাত্র ৬ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন মুস্তাফিজ।
সোহানের ভাষায়, 'শেষ পর্যন্ত বিশ্বাস ছিল, মুস্তাফিজ আছে। অবশ্যই ও বিশ্বমানের বোলার, আর গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ওর সেরাটাই বেরিয়ে আসে।'