এবার সেই বুলবুলকে সরিয়ে বিসিবি সভাপতি হয়েছেন তামিম ইকবাল। বোর্ডের শীর্ষে পদে এমন অস্থিরতার প্রভাব জাতীয় দলে পড়ছে কিনা জানতে চাওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের কাছে। এই ক্যারিবিয়ান কোন স্পষ্ট জানিয়েছেন খেলোয়াড়দের মধ্যে এর প্রভাব পড়ছে কিনা সেটা তারাই বলতে পারবেন। তবে জীবনে এমন সব উত্থান পতনের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন আর কিছুই তাকে অবাক করে না।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে সিমন্স বলেন, 'জীবনের কোনো কিছুই আমাকে আর অবাক করে না। এটি কেবল বাংলাদেশ বা অন্য কিছুর জন্য নয়, এটি জীবনেরই অংশ। আমি জীবনে অনেক কিছুর মধ্য দিয়ে গিয়েছি এবং জানি যে প্রতিদিন অনেক কিছু ঘটতে পারে। তাই আমি কোনো কিছুতেই অবাক নই।'
এরপর খেলোয়াড়দের প্রসঙ্গে সিমন্সের উত্তর, 'খেলোয়াড়দের ওপর এর প্রভাব সম্পর্কে জানতে হলে তাদেরকেই জিজ্ঞেস করতে হবে। তবে আমি কোনো মানসিক প্রভাব দেখছি না কারণ তারা আগের মতোই কঠোর পরিশ্রম করেছে। সিরিজের প্রস্তুতির জন্য যা যা প্রয়োজন তারা তা করে যাচ্ছে।'
সিমন্সের মতে বোর্ড প্রধান যেই হোন না কেন, সেটি তার কোচিং প্রক্রিয়ায় কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। তাই নিজেদের যা পরিকল্পনা সেভাবেই কাজ করে যেতে চান এই কোচ। এদিকে নতুন সভাপতি তামিমের সঙ্গে বেশ কয়েকবার কথা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সিমন্সের ভাষ্য, 'তারা তো আর হেড কোচ হিসেবে আসছেন না। তাই আমাকে আমার কাজ চালিয়ে যেতে হবে কারণ আমরা কিছুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং কোনো লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছি। আমরা যা তৈরি করার চেষ্টা করছি তা কেউ পরিবর্তন করার চেষ্টা করেনি, তাই আমরা আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করে যাচ্ছি।'
সিমন আরও যোগ করেন, 'হ্যাঁ, আমরা কোচিং স্টাফরা তাঁর সাথে কথা বলেছি। দুই দিন আগে যখন খেলা চলছিল, তখন তিনি ড্রেসিংরুমে এসেছিলেন এবং আমাদের সাথে কথা বলেছেন। এভাবে কয়েকবার দেখা হয়েছে।'