অ্যাশেজে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পরও ম্যাককালামকে প্রধান কোচ ও স্টোকসকে টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে বহাল রাখা হয়েছে। স্টোকস মনে করেন, কোচের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের কাজের সম্পর্ক ইংল্যান্ডকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে। তিনি জানিয়েছেন দলের পারফরম্যান্সের উন্নতির ছাপ রাখতে চান তারা।
ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টোকস বলেন, ‘আমি এবং ব্রেন্ডনের একসঙ্গে কাজ করার সক্ষমতা নিয়ে আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী। আমরা অনেক দীর্ঘ সময় ধরে একসঙ্গে কাজ করে আসছি। তবে আমরা কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করি। আমার এবং ব্রেন্ডনের মূল বিষয় হলো জয়ের লক্ষ্যে আমাদের একমত থাকা এবং এই দলটিকে যতটা সম্ভব ভালো করে তোলা।’
অ্যাশেজে ৪-১ ব্যবধানে হার ইংল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্টকেই চাপে ফেলেছিল, তবে এমন ব্যর্থতার পরও তার ওপর ইংল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্ট আস্থা রাখায় এর প্রতিদান দিতে চান স্টোকস। ২০২২ সালে ম্যাককালামের সঙ্গে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই ইংল্যান্ড নতুন ধারার ক্রিকেট চালু করে। স্বল্প পরিসরে এর প্রভাবও পড়ে। তবে বড় কোনো সাফল্য পায়নি ইংল্যান্ড। তবে এবার ইংল্যান্ডকে বড় কোনো সাফল্য এনে দেয়াই বড় লক্ষ্য স্টোকসের।
স্টোকস বলেন, ‘চার বছরের সময়কালে আমি এবং ব্রেন্ডন যে সাফল্য পেয়েছি, আমরা যা করতে চেয়েছিলাম তা অন্য কাউকে নিয়ে করা সম্ভব বলে আমি কল্পনাও করতে পারি না। আমরা দুজনই আমাদের কাজ নিয়ে খুব গর্বিত। এই দায়িত্বে আমরা হৃদয় ও আত্মা উজাড় করে দিই। গত চার বছরে ব্রেন্ডন তা করেছে, এবং আশা করি ২০২৭ সালের শেষে আমরা একসঙ্গেই থাকব এবং যা জিততে চাই তা জিতব।’
স্টোকস এবং ম্যাককালাম দুজনেরই চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত। আগামী বছর অ্যাশেজ এবং বিশ্বকাপ সামনে থাকায় নিজেদের লক্ষ্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রয়েছে এই অলরাউন্ডারের। ইংল্যান্ডের পরবর্তী টেস্ট ম্যাচ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে, যা ৪ জুন লর্ডসে শুরু হবে। এই সিরিজটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫-২৭ এর অংশ।
যেখানে ইংল্যান্ড ৩১.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। ২০২৭ সালের পরও নিজেদের সাফল্য দিয়ে জায়গা ধরে রাখতে চান স্টোকস। তিনি যোগ করেন, ‘আমরা দুজনই আমাদের কাজ নিয়ে খুব গর্বিত। এই দায়িত্বে আমরা হৃদয় ও আত্মা উজাড় করে দিই। গত চার বছরে ব্রেন্ডন তা করেছে, এবং আশা করি ২০২৭ সালের শেষে আমরা একসঙ্গেই থাকব এবং যা জিততে চাই তা জিতব।’