ওয়ার্নের মৃত্যুর পর সরকারি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিলো, স্বাভাবিক কারণে হৃদরোগে মারা গেছেন এই কিংবদন্তি। কিন্তু জ্যাকসন এই প্রতিবেদনের সাথে একমত নন। এমনকি রাষ্ট্রীয় স্মরণসভায় ওয়ার্নের মৃত্যুর কারণ হিসেবে কোভিডের ভ্যাকসিনকে দায়ী না করতে রাষ্ট্রীয় চাপ ছিলো, এমন অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
সম্প্রতি এক পডকাস্টে জ্যাকসন বলেন, 'আমি নিশ্চিতভাবেই মনে করি ভ্যাকসিন এর সঙ্গে (বাবার মৃত্যুর) জড়িত ছিল, এবং এখন এটি বলা আর বিতর্কিত নয়। বাবার যদি আগে থেকে কোনো শারীরিক সমস্যা থেকেও থাকে, আমার ধারণা টিকা সেটাকে সরাসরি সামনে নিয়ে এসেছে। যেদিন খবরটা পেলাম, ফোন রাখার পরপরই প্রথম আমার মাথায় এসেছিল। এর জন্য সরকার দায়ী, এর জন্য কোভিড আর টিকা দায়ী।'
ওয়ার্নের ধূমপান ও মদ্যপানের কথা অনেকটা 'ওপেন সিক্রেট' ছিল ক্রিকেট পাড়ায়। জ্যাকসন নিজেও স্বীকার করে নিয়েছেন তার বাবার এমন বদঅভ্যাসের কথা। তবে বাবার এসব অভ্যাসকে সাধারণ অভ্যাস হিসেবেই দেখতে চান জ্যাকসন। জ্যাকসন যোগ করেন,'অনেক মানুষই এসব অভ্যাস নিয়েও দীর্ঘদিন বেঁচে থাকেন। আমার কাছে মনে হয়েছে, বাবা তখন ভালো অবস্থায়ই ছিলেন।’
ওয়ার্নের মৃত্যুর সময়েও এ নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। গুঞ্জন ছিলো, তার মৃত্যুর পর থাইল্যান্ডের পুলিশ বাসা থেকে তার ওষুধ সরিয়ে ফেলেছে। এ ছাড়াও ময়নাতদন্তে ওয়ার্নের শরীর থেকে বিশেষ ধরণের যৌন উত্তেজক ওষুধ পাবার গুঞ্জনও ছিল। কিন্তু এসব অভিযোগের সত্যতা নেই বলেই মনে করেন জ্যাকসন।