মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দিতেই ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে নিরাপত্তা শঙ্কা প্রকাশ করে বিসিবি। বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার পরামর্শে ভারত থেকে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো সরিয়ে নিতে আইসিসিকে চিঠি দেয় দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আইসিসি জবাব দিলেও সেটা প্রত্যাশা মতো না হওয়ায় আরেক দফায় তাদেরকে চিঠি পাঠায় বিসিবি।
চিঠি চালাচালির পর ভিডিও কনফারেন্সে বিসিবির সঙ্গে বৈঠক করেন আইসিসির প্রতিনিধিরা। সেখানেও সমস্যার সমাধান না হওয়ায় ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশে এসেছিলেন আইসিসির দুর্নীতি দমন কমিশন ও নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ। পাশাপাশি অনলাইনে যোগ দিয়েছিলেন আইসিসির আরও এক প্রতিনিধি। সেই বৈঠকেও নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে বিসিবি। যার ফলে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত আসেনি।
১৮ জানুয়ারি ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী বুধবার বাংলাদেশের বিশ্বকাপ খেলার ভাগ্য নির্ধারণ হবে। ঢাকায় হওয়া বৈঠকে বিসিবি সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে আইসিসি। যদিও এমন দাবি অস্বীকার করেছে বিসিবি। আমজাদ জানান, আইসিসির সঙ্গে নির্দিষ্ট কোন তারিখ নিয়ে তাদের আলোচনা হয়নি। বরং লিটন দাসদের ম্যাচগুলো যাতে ভারতকে সরিয়ে নেয়া হয় আবারও সেই অনুরোধ জানিয়ে রেখেছেন তারা।
মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আমজাদ বলেন, ‘গত শনিবার ১৭ জানুয়ারি আইসিসির একজন প্রতিনিধি আসেন এবং আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের প্রতিনিধি দলের একটা বৈঠক হয়। সেখানে আমাদের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ভেন্যুর ব্যাপারে আমাদের যে তথ্যগুলো আমরা বলে দিই যে ভেন্যুতে (ভারতে) অপারগ। বিকল্প ভেন্যুর জন্য আমরা অনুরোধ করি, তাদের প্রতিনিধির সঙ্গে আমাদের বিস্তারিত আলোচনা হয়।’
‘উনারা তখন আমাদেরকে বলেন এই ব্যাপারগুলো তারা আইসিসিকে গিয়ে অবহিত করবে এবং পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত আমাদেরকে জানিয়ে দেবে। এই ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোন তারিখ বা কবে নাগাদ জানাবেন এসব কিছু জানাননি। শুধুমাত্র বলেছে আমাদেরকে পরবর্তী তারিখটা কবে হবে জানিয়ে দেবে।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘সি’ গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি। তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স ও আরেকটি ম্যাচ হওয়ার কথা মুম্বাইয়ে। ৭ ফেব্রুয়ারি মাঠে গড়াবে বিশ্বকাপ। ৮ মার্চ হবে ২০ দলের টুর্নামেন্টের ফাইনাল।